গুরুত্বপূর্ণ ও হাই ভোল্টেজ বৈঠকে অনুষ্ঠিত নবম জাতীয় পে-স্কেল চূড়ান্ত



গুরুত্বপূর্ণ ও হাই ভোল্টেজ বৈঠকে অনুষ্ঠিত নবম জাতীয় পে-স্কেল চূড়ান্ত

আজ ২৪শে জুন, ২০২৬ইং তারিখে সচিবালয়ে মন্ত্রি পরিষদ সচিব নাসিমুল গণির নেতৃত্বে পূর্নগঠিত সচিব কমিটির একটি গুরুত্বপূর্ণ ও হাই ভোল্টেজ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। মূলত সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারিদের বহুল প্রতীক্ষিত নবম জাতীয় পে-স্কেল চূড়ান্ত করার লক্ষ্যে এই জরুরী সভা ডাকা হয়।

বৈঠকের মূল অগ্রগতি ও আলোচনাঃ

প্রধান দিকগুলো 

দুই ধাপে করার প্রস্তাব 

দুই ধাপে বাস্তবায়ন করার রোডম্যাপের বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে।

নতুন পে-স্কেল কারিগরিভাবে ১লা জুলাই ২০২৬ থেকে কার্যকর করার নীতিগতভাবে সিদ্ধান্ত রয়েছে। তবে, ডিজিটাল ডাটা এন্ট্রি আইবাস++ আইনি প্রক্রিয়া এবং গেজেট প্রকাশের আনুষ্ঠানিকতা শেষ হতে জুলাই মাস সময় লেগে যেতে পারে। 

বেতন বৈষম্য ও গ্রেড ভিত্তিক বৃদ্ধি

মূল্যস্ফীতির চাপ বিবেচনা করে নিম্নআয়ের কর্মচারীদের জন্য বেশি জোর দেওয়া হয়েছে। আলোচনা অনুযায়ী ১০ থেকে ২০ গ্রেডের কর্মচারীদের মূল বেতন প্রায় ৬০ শতাংশ এবং ১ম থেকে ৯ম গ্রেডের কর্মকর্তাদের ৪০ শতাংশ বৃদ্ধির প্রাথমিক রূপরেখা নিয়ে কারিগরি জটিলতা দূর করার চেষ্টা চলছে।

বেতন বৈষম্য নিরসন

মূল বেতনের পাশাপাশি বাড়িভাড়া ও চিকিৎসাভাতা ও যাতায়াত ভাতা যৌক্তিক হারে বৃদ্ধি এবং বিগত দিনের বেতন বৈষম্যগুলো দূর করার আইনি দিকগুলো আলোচনা করা হয়েছে। প্রত্যেক সন্তানের জন্য শিক্ষাভাতা মাসিক ২০০০ টাকা করা হয়েছে। মেডিকেল ভাতা ৪০ বছর বা তার কম বয়সীদের জন্য ৪০০০ টাকা। ৪০ বছর থেকে ৫৫ বছর পর্যন্ত ৫০০০ টাকা। ৫৫ বছর থেকে ৭৪ বছর পর্যন্ত ৮০০০ টাকা। ৭৫ থেকে ৮০ বছর বয়স পর্যন্ত ১০,০০০ টাকা।

টিফিন ভাতা ১০০০ টাকা করা হয়েছে ৯ম জাতীয় পে স্কেলে !!!!!

ধোলাই ভাতা পূর্বের ন্যায় ১০০ টাকা বহাল রয়েছে।

যাতায়াত ভাতা ৩৫০ টাকা বহাল রয়েছে। 

প্রতিবন্ধী সন্তানদের জন্য মাসিক ২০০০ টাকা।

মূল বেতনের ৫০% পাওয়া যাবে বৈশাখী ভাতা 

আজকের সচিব কমিটির এই পযালোচনার পর চূড়ান্ত প্রস্তাবটি অনুমোদনের জন্য সরকারের শীর্ষ পর্যায়ে পাঠানো হবে। এরপর অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে আনুষ্ঠানিক গেজেট প্রকাশ করা হবে।

Previous Post
Next Post
Related Posts