নবম জাতীয় পে-স্কেল ২০২৬ প্রকাশ । The gazette for the 9th National Pay Scale is nearing publication.

  


নবম জাতীয় পে-স্কেল ২০২৬ প্রকাশ

The gazette for the 9th National Pay Scale is nearing publication.

নবম জাতীয় পে-স্কেল ২০২৬ প্রকাশ। সরকারি চাকুরিজীবীদের জন্য নবম জাতীয় পে-স্কেল প্রকাশ হয়েছে। অষ্টম জাতীয় পে-স্কেলের পর এবার নবম জাতীয় পে-স্কেলের প্রজ্ঞাপন বা গেজেট প্রকাশ করা হলো অর্থ মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে, বিজি প্রেসের ওয়েবসাইটে। এবারের মূল বেতন ও বৃদ্ধির হার, গ্রেড ভেদে মূল বেতন ১০০ থেকে ১৪২% বৃদ্ধি পেয়েছে। 

সর্বনিম্ন মূলবেতন ৮,২৫০ টাকা বাড়িয়ে ২০.০০০ টাকা (১৪২% বৃদ্ধি) সর্বোচ্চ বেতন ১ম গ্রেড ৭৮.০০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১.৫৬,০০০ টাকা (১০০%) বৃদ্ধি। 

কার্যকরের তারিখ ও বাস্তবায়ন পদ্ধতি : গেজেট প্রকাশের তারিখ ১৭ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬

কার্যকর: ১লা জুলাই ২০২৬ তারিখ হতে।

নবম জাতীয় পে-স্কেলে সরকারি চাকুরিজীবীরা ১লা জুলাই ২০২৬ তারিখ হতে ভুতাপেক্ষ বা এড়িয়া পাবেন।

 ভাতাসমূহ: 

১। বাড়িভাড়া, 

২। চিকিৎসাভাতা, 

৩। যাতায়াত ভাতা,

৪। শিক্ষা সহায়তা ভাতা.

৫। ধোলাই ভাতা,

৬। শ্রান্তি বিনোদন ভাতা,

৭। উৎসব ও নববর্ষ ভাতা,

৮। টিফিন ভাতা,

৯। মোবাইল ভাতা,

১০। পাহাড়ি ভাতা,

১১। ঝুঁকি ভাতা,

সকল তথ্য দেখুন গেজেটে।

 9th National Pay-Scale 2026 

    বিজি প্রেসের লিংকে দেখতে পাবেন

dpp.gov.bd
























নবম জাতীয় পে-স্কেলের গেজেট প্রকাশ কবে ? When will the gazette for the 9th National Pay Scale be published?



নবম জাতীয় পে-স্কেলের গেজেট প্রকাশ কবে ? When will the gazette for the 9th National Pay Scale be published?

সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের জন্য নবম পে-স্কেলের প্রস্তাবিত সুপারিশসমূহ আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে মন্ত্রীসভায় পেশ করার জন্য অর্থ বিভাগকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

নবম জাতীয় পে-স্কেলের গেজেট এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়নি, তবে প্রক্রিয়াটি একদম চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। অর্থ মন্ত্রণালয় এবং সচিব কমিটির সবশেষ তথ্য অনুযায়ী পে-স্কেলের গেজেট প্রকাশ ও কার্যকরের সম্ভাব্য সময়সূচি নিচে দেওয়া হলো: গেজেট প্রকাশের সম্ভাব্য তারিখঃ মন্ত্রিপরিষদ সচিবের নেতৃত্বে গঠিত কমিটির সবশেষ সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আগামী ১৫ থেকে ২৫শে জুলাই তারিখের মধ্যে নবম জাতীয় পে-স্কেলের চূড়ান্ত প্রজ্ঞাপন বা গেজেট জারি হতে পারে।

কার্যকরের তারিখঃ গেজেট প্রকাশে কিছুটা সময় লাগলেও নতুন পে-স্কেলের কার্যকারিতা জুলাই থেকেই, এটি সুস্পষ্ট অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রীর বক্তব্য অনুযায়ী। অর্থাৎ, ১লা জুলাই-২০২৬ থেকেই ভূতাপেক্ষভাবে কার্যকর করা হবে। অতএব, পহেলা জুলাই থেকেই সরকারি কর্মজীবীরগণ নতুন স্কেলে বেতন পাবেন এবং বকেয়া হিসেবে তা যথাযথভাবে পরিশোধ করা হবে।

বাস্তবায়নের সর্বশেষ রূপরেখা ও ৩টি ধাপ, চূড়ান্ত গেজেট প্রকাশের আগে বর্তমানে প্রক্রিয়াটি তিনটি ধাপের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে: 

সচিব কমিটির চূড়ান্ত প্রতিবেদন: ৩টি আলাদা পে-কমিশনের সুপারিশ পর্যালোচনা করে প্রশাসনিক পর্যালোচনা কমিটি (সচিব কমিটি) একটি খসড়া চূড়ান্ত করেছে, যা খুব দ্রুত মন্ত্রিসভায় পাঠানো হবে।

প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদন: মন্ত্রীসভায় অর্থ মন্ত্রীর সম্মতি ও আলোচনার পর এটি চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে যাবে। 

আইন মন্ত্রণালয়ের ভেটিং ও গেজেট: প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদনের পর আইন মন্ত্রণালয়ের আইনি পরীক্ষা(ভেটিং) শেষেই বিজি প্রেস থেকে চূড়ান্ত গেজেট প্রকাশ করা হবে।

মূল কথা: বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতি ও বাজেট ঘাটতির কথা বিবেচনা করে সরকার পুরো পে-স্কেল ২টি ধাপে বাস্তবায়ন করতে পারে। প্রথম ধাপে (চলতি ২০২৬-২৭) অর্থ বছরে) মূল বেতনের অংশ নতুন গেজেট অনুযায়ী ১০০% বৃদ্ধি পাবে। দ্বিতীয় ধাপে, ভাতা ও অন্যান্য সুবিধা যোগ হবে।

মন্তব্য: গেজেট প্রকাশ হতে পারে জুলাই মাসের শেষে অর্থাৎ আগস্ট মাসে তবে নতুন পে-স্কেলের বেতন কার্যকর করা হবে ১লা জুলাই-২০২৬ তারিখ হতেই। শুধুমাত্র বাস্তবায়ন হতে কিছুটা সময় অপেক্ষা করতে হবে।

সরকারি কর্মচারীদের অসাধারণ ছুটি, অসাধারণ ছুটি কী?

 


সরকারি কর্মচারীদের অসাধারণ ছুটি, অসাধারণ ছুটি কী?

বাংলাদেশে সরকারি কর্মচারীদের অসাধারণ ছুটি (Extraordinary Leave) সংক্রান্ত নিয়মাবলী মূলত 'নির্ধারিত ছুটি বিধিমালা, ১৯৫৯'-এর বিধি ৯(৩) দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়। নিচে এর বিস্তারিত প্রক্রিয়া ও শর্তাবলী দেওয়া হলো:

অসাধারণ ছুটি কী?

অসাধারণ ছুটি হলো এমন এক প্রকার ছুটি যার জন্য কোনো বেতন বা ভাতা প্রদেয় নয় (বিনা বেতনে ছুটি)। এটি কর্মচারীর 'ছুটি হিসাব' (Leave Account) থেকে বিয়োগ করা হয় না।

কখন এই ছুটি নেওয়া যায়?

১. যখন বিধিমতে কর্মচারীর অন্য কোনো প্রকার ছুটি (যেমন: অর্জিত ছুটি বা অর্ধ-বেতনে ছুটি) পাওনা থাকে না।

২. অন্য প্রকার ছুটি পাওনা থাকা সত্ত্বেও যদি কর্মচারী লিখিতভাবে অসাধারণ ছুটির জন্য আবেদন করেন।

৩. কর্তৃপক্ষ চাইলে অনুমতিহীন অনুপস্থিত কালকেও ভূতাপেক্ষভাবে (Retrospectively) অসাধারণ ছুটিতে রূপান্তর করতে পারেন।


ছুটির মেয়াদ ও শর্তাবলী

অসাধারণ ছুটির মেয়াদ কর্মচারী স্থায়ী না অস্থায়ী তার ওপর নির্ভর করে:

কর্মচারী ধরণছুটির মেয়াদ ও বিশেষ শর্ত
স্থায়ী কর্মচারীএকনাগাড়ে সর্বোচ্চ ৫ বছর পর্যন্ত এই ছুটি পেতে পারেন।
অস্থায়ী কর্মচারীসাধারণত এককালীন সর্বোচ্চ ৩ মাসের বেশি নয়।
অসুস্থতা (অস্থায়ী)দীর্ঘস্থায়ী অসুস্থতার ক্ষেত্রে মেডিকেল সার্টিফিকেটের ভিত্তিতে সর্বোচ্চ ৬ মাস।
যক্ষ্মা রোগ (অস্থায়ী)যক্ষ্মা রোগের ক্ষেত্রে এককালীন সর্বোচ্চ ১২ মাস পর্যন্ত ছুটি পাওয়া যেতে পারে।
প্রশিক্ষণ বা শিক্ষাবন্ড প্রদান সাপেক্ষে এবং নির্দিষ্ট শর্ত পূরণ করলে অস্থায়ী কর্মচারীদের ক্ষেত্রেও ৩ মাসের ঊর্ধ্বসীমা শিথিলযোগ্য।

গুরুত্বপূর্ণ কিছু নিয়ম

  • বেতন ও ভাতা: এই ছুটিকালীন সময়ে কোনো বেতন বা ভাতা পাওয়া যায় না।

  • চাকরিকাল: অসাধারণ ছুটির সময়কাল পেনশনের জন্য মোট চাকরিকাল হিসেবে গণনা করা হয়, তবে পেনশনের পরিমাণ নির্ধারণের সময় এটি 'কোয়ালিফাইং সার্ভিস' হিসেবে গণ্য হয় না।

  • ইনক্রিমেন্ট: অসাধারণ ছুটিকালীন সময় বেতন বৃদ্ধির (Increment) জন্য গণনা করা হয় না (যদি না তা অসুস্থতা বা উচ্চশিক্ষার জন্য নেওয়া হয় এবং কর্তৃপক্ষ বিশেষ আদেশ প্রদান করে)।

  • অন্য ছুটির সাথে সংযোগ: এই ছুটি অন্য যেকোনো প্রকার ছুটির সাথে মিলিয়ে বা ধারাবাহিকতায় ভোগ করা যায়।

কিভাবে আবেদন করতে হয়?

১. আবেদনপত্র: সাধারণ ছুটির ফর্মেই আবেদন করতে হয়, তবে সেখানে ছুটির ধরণ হিসেবে 'অসাধারণ ছুটি' উল্লেখ করতে হবে।

২. কারণ দর্শানো: কেন এই ছুটি প্রয়োজন (অসুস্থতা, ব্যক্তিগত সমস্যা বা উচ্চশিক্ষা) তা স্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে।

৩. দাখিল: যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে (Proper Channel) আবেদনপত্রটি অফিস প্রধানের কাছে জমা দিতে হয়। অসুস্থতার ক্ষেত্রে রেজিস্টার্ড চিকিৎসকের সার্টিফিকেট আবেদনের সাথে যুক্ত করা বাধ্যতামূলক।

আপনি কি বিশেষ কোনো কারণে (যেমন উচ্চশিক্ষা বা অসুস্থতা) এই ছুটির আবেদন করার কথা ভাবছেন?

প্যানেল নিয়োগ কি?

 


জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়

১৭ই এপ্রিল ২০২৩

 ০৫.০০.০০০০.১৭০.১১.০১৬.২২.-৯৬ 

প্যানেল নিয়োগের জন্য একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছেন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়

  • প্যানেল অর্থ কি? 
  • প্যানেল নিয়োগ কি? 
  • কিভাবে অপেক্ষমান তালিকা বা প্যানেল সংরক্ষণ করা হয়? 
  • অপেক্ষমান তালিকা সংরক্ষণের মেয়াদ কতদিন?
  • অপেক্ষমান/ প্যানেল নিয়োগ কেন?

অপেক্ষমান থেকে প্যানেল নিয়োগ 

সরকারী চাকরির ১৩ তম থেকে ২০ তম গ্রেড ৩য় ও ৪র্থ শ্রেণির পদের চাকরি। এখন থেকে অপেক্ষমান তালিকা সংরক্ষণ করা হবে। ০৫.০০.০০০০.১৭০.১১.০১৬.২২.-৯৬ নং পত্রে প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে। মন্ত্রণালয়, বিভাগ, দপ্তর, পরিদপ্তর, অধিদপ্তর, সায়িত্ব শাসিত সংস্থা, সংবিধিবদ্ধ সংস্থা এবং বিভিন্ন কর্পোরেশনে চাকরিতে ১৩ তম থেকে ২০ তম গ্রেড পদের চাকরির নিয়োগে অপেক্ষমান তালিকা সংগ্রহ করে প্যানেল নিয়োগ করা হবে।

প্যানেল নিয়োগ কি?

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সম্প্রতি অপেক্ষমান থেকে প্যানেল নিয়োগ এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছেন। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে অপেক্ষমান তালিকা সংরক্ষণ করে অর্থাৎ প্যানেল থেকে প্রার্থী নিয়োগ দেওয়া হবে। 

যেভাবে অপেক্ষমান তালিকা বা প্যানেল সংরক্ষণ করা হয়:

নিয়োগ কমিটি লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীদের মেধাতালিকা ও বিদ্যমান কোটা পদ্ধতি অনুসরণ করে অপেক্ষমান থেকে প্যানেল নিয়োগ করবে।

শূণ্য পদে প্রার্থী সুপারিশের পাশাপাশি সুপারিশকৃত প্রতিটি পদের বিপরীতে 

অপেক্ষমান থেকে প্যানেল নিয়োগ অনুপাতে উত্তীর্ণ প্রার্থীদের মধ্য থেকে অপেক্ষমান তালিকা হতে কমিটির সদস্যদের স্বাক্ষরে সিলগালা করা খামে গোপনীয়তা সংরক্ষণ করবে। 

অপেক্ষমান তালিকা তৈরির সময় বিভাগীয় পদোন্নতি কমিটি শূণ্য পদে নিয়োগে যে জেলার জন্য প্রার্থী সুপারিশ করবে সে জেলার যোগ্য প্রার্থীদের মধ্য থেকে প্রতিটি সুপারিশকৃত প্রার্থীর বিপরীতে দুই ভাগের এক ভাগ অনুপাতে অপেক্ষমান তালিকা তৈরি করবে। তবে অপেক্ষমান তালিকা তৈরির সময়ে কোন কোঠার অধীনে, কোন জেলার যোগ্য প্রার্থী পাওয়া না গেলে সংশ্লিষ্ট সাবেক জেলার অন্তর্ভূক্ত জেলার যে জেলার চাকরিজীবীর সংখ্যা সর্বাপেক্ষা কম সে জেলার যোগ্য প্রার্থীদের মধ্য থেকে মেধাক্রমের ভিত্তিতে অপেক্ষমান তালিকা তৈরি করতে হবে। সংশ্লিষ্ট সাবেক বৃহত্তর জেলার অন্তর্ভূক্ত কোন জেলা থেকে উপরোক্তভাবে কোটার শূণ্য পদ পূরণ করা সম্ভব না হলে সংশ্লিষ্ট বিভাগের জেলাগুলোর যে জেলার চাকরিজীবীর সংখ্যা সর্বাপেক্ষা কম সে জেলার যোগ্য প্রার্থীদের মধ্য থেকে মেধাক্রমের ভিত্তিতে অপেক্ষমান তালিকা তৈরি করতে হবে।

অপেক্ষমান তালিকা সংরক্ষণের মেয়াদ কতদিন?

অপেক্ষমান তালিকা সংরক্ষণের মেয়াদ হবে বিজ্ঞপ্তির ভিত্তিতে ১ম নিয়োগের সুপারিশ প্রদানের তারিখ থেকে এক বছর বা শূণ্য পদ পূরণের জন্য পরবর্তী নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের তারিখ পর্যন্ত। নিয়োগের জন্য সুপারিশকৃত প্রার্থীদের মধ্য কেউ চাকরিতে যোগদান না করলে শূণ্য পদ পূরণের প্রয়োজন হলে সংশ্লিষ্ট ডিপিসির সভায় অপেক্ষমান তালিকা এবং উত্তীর্ণ প্রার্থীদের রেজাল্ট সীট উপস্থাপন করে শূণ্য পদে প্যানেলে নিয়োগের জন্য সুপারিশ করতে হবে। পাশাপাশি কমিটির উপস্থিতিতে প্যানেলে (অপেক্ষমান তালিকা থেকে) সুপারিশকৃত প্রার্থীদেরকে তার নিয়োগের বিষয়টি তাৎক্ষণিক অবগত করতে হবে।

প্যানেল অর্থ কি:= অপেক্ষমান তালিকা

অপেক্ষমান/ প্যানেল নিয়োগ কেন?

অপেক্ষমান প্যানেল নিয়োগ কেন প্রায় দেখা যায় অনেকেই চাকরি ছেড়ে চলে যান ফলে সেই পদটি পরবর্তী নিয়োগ না দেয়া পর্যন্ত দীর্ঘদিন শূণ্য থাকে যার ফলে একটি প্রতিষ্ঠানে কর্মীর সংকটে কাজের চাপ বেড়ে যায়। এজন্য প্যানেল বা অপেক্ষমান তালিকা করা হয়েছে। গত ১৭ই এপ্রিল ২০২৩ তারিখে প্যানেল নিয়োগের জন্য একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছেন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।


জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এর প্রজ্ঞাপন



প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর এর সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার প্রবেশ পত্র ডাউলোড ২০২৩

 


সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার প্রবেশ পত্র ডাউলোড ২০২৩

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর এর সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার ১ম ধাপের নিয়োগ পরীক্ষার প্রবেশ পত্র ডাউলোড ২০২৩

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরাধীন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় (Directorate of Primary Edcuation - DPE) - তে প্রবেশ পত্র ডাউলোড ২০২৩ ১ম ধাপের শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার প্রবেশ পত্র ডাউলোড ২০২৩ প্রকাশিত হয়েছিল। Directorate of Primary Edcuation - DPE - এ রাজস্ব খাতে সহকারী শিক্ষক/শিক্ষিকা পদে নিয়োগের নিমিত্তে বাংলাদেশের প্রকৃত নাগরিকদের চাকরির সুযোগ দেওয়া হচ্ছে। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর (Directorate of Primary Education - DPE) এ ০১ টি ক্যাটাগরির পদে ৩ বিভাগ এ ১ম ধাপের নিয়োগ পরীক্ষার প্রবেশ পত্র ডাউলোড ২০২৩। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারি শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার ১ম ধাপের নিয়োগ পরীক্ষার প্রবেশ পত্র ডাউলোড ২০২৩

সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় এ সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগের জন্য ১ম ধাপের পরীক্ষার প্রবেশ পত্র ডাউলোড ২০২৩। আগামী মাসের ২৪শে নভেম্বর ২০২৩ এই পরীক্ষার আয়োজনের জন্য পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। প্রবেশ পত্র ডাউলোড  ২৪শে নভেম্বর, ২০২৩ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।এই পরীক্ষা তিনটি ধাপে নেওয়া হবে। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের প্রবেশ পত্র ডাউলোড ২০২৩ নিয়োগের ১ম ধাপের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা ২৪শে নভেম্বর, ২০২৩ তারিখের পূর্বে প্রবেশ পত্র ডাউলোড করুন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।

প্রথম ধাপে আবেদনকারীর সংখ্যা - ৩ লাখ ৬০ হাজার ৭০০ জন

বাংলাদেশ সরকারি গাড়ি চালক সমিতি উত্তর, সকল দপ্তর পরিদপ্তর অধিদপ্তর মন্ত্রণালয় সবগুলো সরকারি গাড়ী চালকদের নামসহ মোবাইল নাম্বর

 


বাংলাদেশ সরকারি গাড়ী চালক (ড্রাইভার) সমিতি উত্তর, সকল দপ্তর পরিদপ্তর অধিদপ্তর মন্ত্রণালয় সবগুলো সরকারি গাড়ী চালকদের নামসহ মোবাইল নাম্বর

ঢাকা উত্তর এর সকল সরকারি দপ্তর পরিদপ্তর অধিদপ্তর মন্ত্রণালয় সবগুলোর সরকারি গাড়ী চালকদের নামসহ মোবাইল নাম্বার প্রেরনের জন্য অনুরোধ করা হলো। বাংলাদেশ সরকারি গাড়ি চালক সমিতি ঢাকা মহানগর উত্তর। এর আহবায়ক কমিটির সদস্য হারুনুর রশিদ মোবাইল নাম্বার ০১৭১৩৯৬১১০৬ এবং বাংলাদেশ সরকারি গাড়ি চালক সমিতি ঢাকা মহানগর উত্তর এর আহবায়ক কমিটির সদস্য শামিম আহমেদ মোবাইল নাম্বার ০১৭১০৫৪২৩২০

বাংলাদেশ সরকারি গাড়ী চালক (ড্রাইভার) সমিতি ঢাকা মহানগর উত্তর আহবায়ক কমিটির সদস্যদের ছবি



বাংলাদেশ সরকারি গাড়ি চালক সমিতি উত্তর। সকল গাড়ী চালানো (ড্রাইভার) পেশা একটি অন্যতম জরুরী সেবা মূলক কাজ, সরকারের কার্যক্রম সচল রাখার স্বার্থে গাড়ী চালায় গাড়ী চালকগন (ড্রাইভার), বাংলাদেশের সরকারি গাড়ী চালক সমিতি উত্তর এর সকল দপ্তর পরিদপ্তর অধিদপ্তর মন্ত্রণালয় সবগুলো সরকারি গাড়ী চালকদের নামসহ মোবাইল নাম্বার এবং বর্তমান আহবায়ক কমিটির নামের তালিকা ও মোবাইল নাম্বর

বাংলাদেশ সরকারি গাড়ী চালক সমিতি উত্তর এর আহবায়ক কমিটির নামের তালিকাঃ


বাংলাদেশের পরমানু শক্তি কমিশন সরকারি গাড়ী চালকদের (ড্রাইভার) নামসহ মোবাইল নাম্বর


বাংলাদেশের আবহাওয়া অধিদপ্তর
সরকারি গাড়ী চালকদের (ড্রাইভার) নামসহ মোবাইল নাম্বর



বাংলাদেশের মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন প্রতিষ্ঠান (স্পারসো)
সরকারি গাড়ী চালকদের (ড্রাইভার) নামসহ মোবাইল নাম্বর



জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুুক্তি জাদুঘর এর সরকারি গাড়ী চালকদের (ড্রাইভার) নামসহ মোবাইল নাম্বর


বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড এর সরকারী গাড়ি চালক গণের নাম ও তালিকাসহ মোবাইল নম্বরঃ


বাংলাদেশ বেতার এর সরকারী গাড়ি চালক গণের নাম ও তালিকাসহ মোবাইল নম্বরঃ



বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন এর সরকারী গাড়ি চালক গণের নাম ও তালিকাসহ মোবাইল নম্বরঃ


বাংলাদেশ ডাক বিভাগ এর সরকারী গাড়ি চালক গণের নাম ও তালিকাসহ মোবাইল নম্বরঃ


ইসলামি ফাউন্ডেশন এর সরকারী গাড়ি চালক গণের নাম ও তালিকাসহ মোবাইল নম্বরঃ


বাংলাদেশ স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় (এনআইএলজি) এর সরকারী গাড়ি চালক গণের নাম ও তালিকাসহ মোবাইল নম্বরঃ


বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর এর সরকারী গাড়ি চালক গণের নাম ও তালিকাসহ মোবাইল নম্বরঃ


বাংলাদেশ স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) এর সরকারী গাড়ি চালক গণের নাম ও তালিকাসহ মোবাইল নম্বরঃ




বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ এর সরকারী গাড়ি চালক গণের নাম ও তালিকাসহ মোবাইল নম্বরঃ


বাংলাদেশ সমবায় অধিদপ্তর এর সরকারী গাড়ি চালক গণের নাম ও তালিকাসহ মোবাইল নম্বরঃ


বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো এর সরকারী গাড়ি চালক গণের নাম ও তালিকাসহ মোবাইল নম্বরঃ


নির্বাচন কমিশন সচিবালয় এর সরকারী গাড়ি চালক গণের নাম ও তালিকাসহ মোবাইল নম্বরঃ


বাংলাদেশ সরকারী কর্ম কমিশন সচিবালয় এর সরকারী গাড়ি চালক গণের নাম ও তালিকাসহ মোবাইল নম্বরঃ


বাংলাদেশ সিকিউরিটি এ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন এর সরকারী গাড়ি চালক গণের নাম ও তালিকাসহ মোবাইল নম্বরঃ



সরকারি চাকরিজীবীদের অর্ধ গড় বেতনের ছুটি কি?

 


সরকারি চাকরিজীবীদের অর্ধ গড় বেতনের ছুটি কি?

অর্ধ গড় বেতনের ৬ মাসের ছুটিকে পূর্ণ গড় বেতনের ছুটিতে পরিণত করা হয়। অবসর প্রস্তুতি ছুটি কর্মচারীকে অবসর গ্রহণের পূর্বে হইতে অবশ্যই ভোগ করিতে হইবে। অবসর প্রস্তুতিমূলক ছুটির পরে পাওনা ছুটি প্রতি ২  অর্ধ গড় বেতনের ছুটি কে ১ পূর্ণ গর্ব বেতনের ছুটিতে রূপান্তরিত করতে হইবে।


অর্ধ গড় বেতনের ছুটি কিভাবে হিসাব করা হয়?

 একজন সরকারি কর্মচারীকে ডাক্তারি সনদপত্র ব্যতীত এককালীন এক বছর পর্যন্ত ৪ মাস গড় বেতনে এবং ৮ মাস অর্ধ গড় বেতনের ছুটি মঞ্জুর করা যায়। ডাক্তারি সনদপত্রসহ আবেদন করিলে ২ বছর পর্যন্ত এবং ১৮ মাস অর্ধ-গড় বেতনের ছুটি মঞ্জুর করা যায়।


ছুটি কি? অর্জিত ছুটি কাকে বলে? ছুটি কত প্রকার ও কি কি ?


ছুটি কি?

 একজন সরকারী কর্মচারী অনুমোদিত ভাবে অফিসে অনুপস্থিত কালকে ছুটি বলে।


 সরকারি ছুটি বিধিমালা

 নির্ধারিত ছুটি বিধিমালা পিআরএল PRL ১৯৫৫/১৯৫৯ সেশনে সরকার কর্তৃক জারিকিত আদেশ দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়।


ছুটি কি অধিকার?

 ছুটি অধিকার হিসেবে দাবি করা যাইবে না। জনস্বার্থে ছুটি মঞ্জুর না করার জন্য কর্তৃপক্ষকে ক্ষমতা প্রদান করা হয়েছে। ছুটি মঞ্জুরকারী কর্তৃপক্ষ জনস্বার্থে ছুটির আবেদন প্রত্যাখ্যান করিতে পারিবেন। তবে প্রার্থিত ছুটির প্রকৃতি পরিবর্তন করিতে পারিবেনা।

কিন্তু রুটিন মাফিক যখন তখন প্রত্যাখ্যান করা যাইবে না।


কিভাবে ছুটি অর্জন করা যায়

  •  দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে ছুটি অর্জন করা যায়।
  •  কার্য সম্পাদনের বিনিময়ে একজন সরকারি কর্মচারী ছুটি অর্জন করবেন।
  •  ছুটির চাঁদা প্রদান করা হলে বৈদেশিক কর্মচারীকেও কার্যকাল হিসেবে গণ্য করা হয়।