নতুন গ্রেডে বেতন নির্ধারণের ক্ষেত্রে (Salary Fixation) কিছু নির্দিষ্ট বিধি ও নীতিমালা অনুসরণ করতে হবে।



নতুন গ্রেডে বেতন নির্ধারণের ক্ষেত্রে (Salary Fixation) কিছু নির্দিষ্ট বিধি ও নীতিমালা অনুসরণ করতে হবে।

বাংলাদেশ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারিদের পে-স্কেল গ্যাজেট প্রকাশিত হওয়ায়  নতুন গ্রেডে বেতন নির্ধারণের ক্ষেত্রে (Salary Fixation) কিছু নির্দিষ্ট বিধি ও নীতিমালা অনুসরণ করতে হবে।

নবম জাতীয় পে-স্কেল ২০২৬ এ নতুন যেসব ভাতা যোগ হয়েছে: সরকারের জারি করা ২০২৬ সালের নবম জাতীয় পে-স্কেলের ফিক্সেশনে তা একত্রিকরণ করতে হবে।

সরকারি চাকরির মূল বেতন নির্ধারণ বা ফিক্সেশনের সার্বজনীন নিয়মগুলো অনুসরণ করে বেতন নির্ধারণের প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করতে হয়।

অষ্টম পে স্কেল অনুযায়ী পে-ফিক্সেশন করার নিয়ম অনুসরণ করুন। প্রথমে আইবাস++ এ প্রবেশ করুনঃ

https://ibas.finance.gov.bd/Fixation/Fixation/FixationType এ লিংক এ প্রয়োজনীয় অপশনে প্রবেশ করতে হবে।

নিচের নিয়মে আপনার পে-ফিক্সেশন ইনপুট করান।

আইবাস++ পোর্টালে প্রবেশ
payfixation.gov.bd বা iBAS++ সাইট
iBAS++ পোর্টালে গিয়ে Fixation/
পে-ফিক্সেশন মেনুতে প্রবেশ করুন।
শর্তাবলীতে সম্মতি প্রদান করে `Next` ক্লিক করুন।

আবেদনের ধরণ নির্বাচন

online pay Fixation

Pay Fixation অপশন থেকে "9th Pay Scale Fixation"/নবম বেতন স্কেল নির্ধারণ এ ক্লিক করুন।

পরিচয় যাচাইকরনঃ

NID, OTP যাচাই 

এনআইডি, মোবাইল নম্বর দিয়ে অবশ্যই সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।

আপনার নম্বর, জন্ম তারিখ এবং ভেরিফিকেশন কোড দিয়ে প্রবেশ করুন।

আপনার নিবন্ধিত মোবাইল নম্বর দিলে, ম্যাসেজের ওটিপি কোডটি পোর্টালে দিয়ে লগইন করুন।

চাকরি ও বেতনের তথ্য এন্ট্রি

বর্তমান বেতন স্কেলের শেষ আহরিত মূল বেতন সঠিক দিতে হবে।

বর্তমান পদবী, মূল বেতন, সার্ভিস বুক বা রেকর্ডের তথ্য অনুযায়ী বিগত পদোন্ততি, উচ্চতর স্কেলের তথ্য উল্লিখত স্থানে ইনপুট দিন।

সকল তথ্য ইনপুট দেওয়া হলে আইবাস++ সিস্টেমে স্বয়ংক্রিয়ভাবে নবম-পে স্কেলে নির্ধারিত নতুন মূল বেতন প্রদর্শন করবে।

আবেদন সাবমিট ও অফিস কর্তৃক যাচাইঃ

সকল তথ্য ভালোভাবে যাচাই করে সাবমিট করুন।

সাবমিট করার পর আবেদনটি সংশ্লিষ্ট দপ্তরের বেতন যাচাইকরণ অফিসার কর্তৃক এবং হিসাবরক্ষণ অফিসে অনলাইন যাচাই এবং পর্যবেক্ষণ করা হবে।

ভেরিফিকেশন কপি ডাউনলোড ও সার্ভিস বুকে অন্তর্ভূক্তিকরণঃ

হিসাবরক্ষণ কাযালয় থেকে অনুমোদন হলে অনলাইন সিস্টেমে অটোমেটিক ভেরিফিকেশন নম্বর তৈরি হবে। এই পে-ফিক্সেশন শীটটি প্রিণ্ট করে সার্ভিস বুক- এ সংরক্ষণ করতে অফিসার কর্তৃক স্বাক্ষর করিয়ে নিতে হবে।

উল্লেখ্য,  বিদেশে অবস্থানরত কর্মকর্তা/কর্মচারীদের ক্ষেত্রে নিবন্ধিত ই-মেইলে ওপিটি প্রেরণের সুবিধা রয়েছে।

Government Staffs 9th Pay Scale 2026, iBAS++ online pay Fixation Input// সরকারি চাকরিজীবীদের নবম পে-স্কেল ২০২৬ পে-ফিক্সেশন

 

























Fixation by Gov. Staff

আইবাস++ (Integrated Budget and Accounting System) পোর্টালের মাধ্যমে নবম জাতীয় বেতন স্কেলের পে-ফিক্সেশন সম্পন্ন করার জন্য বিস্তারিত নিয়ম দেখুন,

আ্‌ইবাস++ এ প্রবেশ করে আপনার বেতন আপডেট করার বিস্তারিত তথ্যঃ

প্রয়োজনীয় তথ্য ও পূর্বপ্রস্তুতিঃ

জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি কার্ড) NID নম্বর এবং জন্ম তারিখ

আইবাস++ সিস্টেমে নিবন্ধিত মোবাইল নম্বর (ম্যাসেজে ওটিপি নম্বর প্রাপ্তির জন্য)

প্রমোশন/টাইমস্কেল/উচ্চতর গ্রেডের আদেশ (প্রয়োজন হলে)

চাকরির বর্তমান বেতনের তথ্য, বর্তমান গ্রেড,  শেষ আহরিত মূল বেতনে তথ্য জানা।

Government Staffs 9th Pay Scale 2026, iBAS++ Input, Update

সরকারী চাকরিজীবীগণ নিজেদের ইউজার আইডিতে লগইন করুন, নবম পে-স্কেলের বেতন আপডেট করতে  প্রথমে যে কোনো ইন্টারনেট ব্রাউজারে প্রবেশ করে  ibas.fixation.gov.bd টাইপ করে এন্টান বাটনে ক্লিক করে লগইন করুন।

প্রবেশিত পেইজের পে-ফিক্সশন ২০২৬ সরকারি চাকরিজীবির তথ্য যেমন: জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর, নিবন্ধিত মোবাইল নম্বর  টাইপ করুন। যেমনঃ

নবম জাতীয় পে-স্কেলে নতুন বেতন কাঠামোয় iBAS++ সিস্টেমে আপনামে স্বাগতমঃ

আইবাস++ পোর্টালে প্রবেশ
payfixation.gov.bd বা iBAS++ সাইট
iBAS++ পোর্টালে গিয়ে Fixation/
পে-ফিক্সেশন মেনুতে প্রবেশ করুন।
শর্তাবলীতে সম্মতি প্রদান করে `Next` ক্লিক করুন।

আবেদনের ধরণ নির্বাচন

online pay Fixation

Pay Fixation অপশন থেকে "9th Pay Scale Fixation"/নবম বেতন স্কেল নির্ধারণ এ ক্লিক করুন।

পরিচয় যাচাইকরনঃ

NID, OTP যাচাই 

এনআইডি, মোবাইল নম্বর দিয়ে অবশ্যই সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।

আপনার নম্বর, জন্ম তারিখ এবং ভেরিফিকেশন কোড দিয়ে প্রবেশ করুন।

আপনার নিবন্ধিত মোবাইল নম্বর দিলে, ম্যাসেজের ওটিপি কোডটি পোর্টালে দিয়ে লগইন করুন।

চাকরি ও বেতনের তথ্য এন্ট্রি

বর্তমান বেতন স্কেলের শেষ আহরিত মূল বেতন সঠিক দিতে হবে।

বর্তমান পদবী, মূল বেতন, সার্ভিস বুক বা রেকর্ডের তথ্য অনুযায়ী বিগত পদোন্ততি, উচ্চতর স্কেলের তথ্য উল্লিখত স্থানে ইনপুট দিন।

সকল তথ্য ইনপুট দেওয়া হলে আইবাস++ সিস্টেমে স্বয়ংক্রিয়ভাবে নবম-পে স্কেলে নির্ধারিত নতুন মূল বেতন প্রদর্শন করবে।

আবেদন সাবমিট ও অফিস কর্তৃক যাচাইঃ

সকল তথ্য ভালোভাবে যাচাই করে সাবমিট করুন।

সাবমিট করার পর আবেদনটি সংশ্লিষ্ট দপ্তরের বেতন যাচাইকরণ অফিসার কর্তৃক এবং হিসাবরক্ষণ অফিসে অনলাইন যাচাই এবং পর্যবেক্ষণ করা হবে।

ভেরিফিকেশন কপি ডাউনলোড ও সার্ভিস বুকে অন্তর্ভূক্তিকরণঃ

হিসাবরক্ষণ কাযালয় থেকে অনুমোদন হলে অনলাইন সিস্টেমে অটোমেটিক ভেরিফিকেশন নম্বর তৈরি হবে। এই পে-ফিক্সেশন শীটটি প্রিণ্ট করে সার্ভিস বুক- এ সংরক্ষণ করতে অফিসার কর্তৃক স্বাক্ষর করিয়ে নিতে হবে।

উল্লেখ্য,  বিদেশে অবস্থানরত কর্মকর্তা/কর্মচারীদের ক্ষেত্রে নিবন্ধিত ই-মেইলে ওপিটি প্রেরণের সুবিধা রয়েছে।


সরকারি চাকরিজীবীগণ সরাসরি আইবাস পোর্টালে নিজের বেতন পে-ফিক্সেশন করে নতুন বেতন নির্ধারণ সম্পন্ন করতে পারবেন যেভাবে// Government Employees can directly complete the process of determining their new by fixing pay scale in the ibas++ portal



 সরকারি চাকরিজীবীগণ সরাসরি আইবাস পোর্টালে নিজের বেতন পে-ফিক্সেশন করে নতুন বেতন নির্ধারণ সম্পন্ন করতে পারবেন যেভাবে// Government Employees  can directly complete the process of determining their new by fixing pay scale in the ibas++ portal

নবম জাতীয় পে-স্কেলের পে ফিক্সেশন সম্পন্ন করতে পারবেন যেভাবেঃ সরকারি চাকুরিজীবীরা সরাসরি আইবাস ibas++ ফোল্ডারে প্রবেশ করে নিজেদের নতুন বেতন নির্ধারণ করার নিয়মাবলী।

 https://ibas.finance.gov.bd/Fixation/Fixation/FixationType

সরকারি চাকুরিজীবীদের অনলাইনে ibas++ (Intergrated Budget And Accounting System) অর্থাৎ অনলাইনে বেতন নির্ধারনী বা পে-ফিক্সেশন সম্পন্ন করতে পারবেন।

# পূর্বপ্রস্তুতি ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্রঃ

# আবেদন শুরু করার আগে প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টসমূহ স্ক্যান (পিডি এফ বা জেপিজি) করে রাখুন।

১। পোর্টালে প্রবেশ ও ক্যাটাগরি নির্বাচন 

২।আইডি যাচাই ও লগইন

৩। অফিস ও নিয়োগ সংক্রান্ত তথ্য প্রদান

৪। বেতন স্কেল নির্ধারণ ও প্রিভিউ

৫। দাখিল সাবমিট ও (বিবরণী প্রিণ্ট)

পরবর্তী করণীয়ঃ

১। স্বাক্ষর গ্রহণ, প্রিণ্ট করা পে-ফিক্সেশন স্লিপে আপনার অফিস প্রধান বা কর্মকর্তার স্বাক্ষর ও সিল।

২। হিসাব রক্ষণ অফিস প্রেরণ।

৩। ভেরিফিকেশন (গেজেটেড কর্মকর্তাদের তথ্য সরাসরি হিসাবরক্ষণ অফিসে যাচাইয়ের জন্য যায় এবং নন-গেজেটেড কর্মচারীদের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ড্রয়িং এন্ড ডিসপার্সিং অফিসার ডিডিও সার্ভিস বুক অনুযায়ী তথ্য নিশ্চিত করবেন।

৪। অনুমোদন

৫। হিসাবরক্ষণ অফিস অনুমোদন (ভেরিফাইড) সম্পন্ন করলে নতুন স্কেল অনুযায়ী আপনার বেতন চূড়ান্ত হবে। 

 এবং সার্ভিস বুকে ভেরিফিকেশন নম্বর লিপিবদ্ধ করতে হবে।

বিশেষ সতর্কতাঃ ব্যাংক বা স্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠানের কর্মচারিদের জন্য এই পোর্টাল প্রযোজ্য নয়। 

তথ্য এন্ট্রির সময় তাড়াহুড়ো না করে ধীরে সতর্কতার সাথে সঠিক তথ্য নিশ্চিত করুন কারণ ভূল তথ্যের কারণে পরবর্তীতে বেতন উত্তোলনে জটিলতা হতে পারে।


 

নবম জাতীয় পে-স্কেল ২০২৬ প্রকাশ । The gazette for the 9th National Pay Scale is nearing publication.

  


নবম জাতীয় পে-স্কেল ২০২৬ প্রকাশ

The gazette for the 9th National Pay Scale is nearing publication.

নবম জাতীয় পে-স্কেল ২০২৬ প্রকাশ। সরকারি চাকুরিজীবীদের জন্য নবম জাতীয় পে-স্কেল প্রকাশ হয়েছে। অষ্টম জাতীয় পে-স্কেলের পর এবার নবম জাতীয় পে-স্কেলের প্রজ্ঞাপন বা গেজেট প্রকাশ করা হলো অর্থ মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে, বিজি প্রেসের ওয়েবসাইটে। এবারের মূল বেতন ও বৃদ্ধির হার, গ্রেড ভেদে মূল বেতন ১০০ থেকে ১৪২% বৃদ্ধি পেয়েছে। 

সর্বনিম্ন মূলবেতন ৮,২৫০ টাকা বাড়িয়ে ২০.০০০ টাকা (১৪২% বৃদ্ধি) সর্বোচ্চ বেতন ১ম গ্রেড ৭৮.০০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১.৫৬,০০০ টাকা (১০০%) বৃদ্ধি। 

কার্যকরের তারিখ ও বাস্তবায়ন পদ্ধতি : গেজেট প্রকাশের তারিখ ১৭ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬

কার্যকর: ১লা জুলাই ২০২৬ তারিখ হতে।

নবম জাতীয় পে-স্কেলে সরকারি চাকুরিজীবীরা ১লা জুলাই ২০২৬ তারিখ হতে ভুতাপেক্ষ বা এড়িয়া পাবেন।

 ভাতাসমূহ: 

১। বাড়িভাড়া, 

২। চিকিৎসাভাতা, 

৩। যাতায়াত ভাতা,

৪। শিক্ষা সহায়তা ভাতা.

৫। ধোলাই ভাতা,

৬। শ্রান্তি বিনোদন ভাতা,

৭। উৎসব ও নববর্ষ ভাতা,

৮। টিফিন ভাতা,

৯। মোবাইল ভাতা,

১০। পাহাড়ি ভাতা,

১১। ঝুঁকি ভাতা,

সকল তথ্য দেখুন গেজেটে।

 9th National Pay-Scale 2026 

    বিজি প্রেসের লিংকে দেখতে পাবেন

dpp.gov.bd
























DPE Primary Teacher's Joined Update ! সরকারি প্রাথমিক শিক্ষক যোগদানের তারিখ নতুন তথ্য!


 DPE Primary Teacher's Joined Update !

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সুপারিশপ্রাপ্ত শিক্ষকগণের যোগদান সম্পর্কে আরো নতুন তথ্য জানা গেছে আজ ২রা আগস্ট ২০২৬ ইং তারিখে।

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ‘সহকারী শিক্ষক নিয়োগ ২০২৫’ নিয়োগ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ সকল শিক্ষক, শিক্ষিকাগণ শুন্য পদে নিয়োগ প্রাপ্ত হবেন খুব শীঘ্রই।

সহকারী শিক্ষক পদের এ নিয়োগপত্র আগামী ১লা অক্টোবরের আগেই প্রেরণ করা হবে।

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহাকারী শিক্ষক পদে সুপারিশপ্রাপ্ত ১৪ হাজার ৩৮৪ জনের যোগদান হবে ১লা অক্টোবর ২০২৬ইং তারিখে।

আজ ২রা আগস্ট, ২০২৬ইং তারিখে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপসচিব রাজিব কুমার সরকার স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান। 

তিনি আরো বলেন, আগামী  ১লা অক্টোবর তারিখে যোগদান সম্পন্ন করার পরপরই তাদের পেশাগত প্রশিক্ষণ প্রদান করা হবে।

 া তারিখ ঘোষণা করেছেন আজ ১লা আগষ্ট ২০২৬ইং তারিখে। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ে শিক্ষক নিয়োগসংক্রান্ত এক জরুরি ভার্চুয়াল সভায় এ সিদ্ধান্তের কথা জানান প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব মোহাম্মদ সাখাওয়াৎ হোসেন।

তিনি জানান সরকার প্রাথমিক ও গণশিক্ষায় সুপারিশপ্রাপ্ত ১৪ হাজার ৩৮৪ জন শিক্ষকগণের যোগদান অক্টোবর  মাসের ০১ তারিখে নিশ্চিত করতে গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে। যোগদানের পরপরই তাদের পেশাগত প্রশিক্ষণসহ সকল নিয়মকানুন সম্পন্ন করা হবে।

তদন্ত ও । বিভিন্ন কারণে নিয়োগ কার্যক্রম বিলম্বিত হলেও অক্টোবর  ২৯শে অক্টোবর তারিখে তাদের যোগদান করা সম্পন্ন হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে যোগদানের পর নবনিযুক্ত শিক্ষকদের পদায়ন সম্পন্ন করে খুব শীঘ্রই পর্যায়ক্রমে পেশাগত প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।

সকল প্রক্রিয়া শেষ হওয়া মাত্রই সুপারিশপ্রাপ্ত সহকারি শিক্ষক ও শিক্ষিকাগণকে যোগদানের তারিখ ও উপজেলার বিদ্যালয়ের নামসহ তথ্য জানিয়ে দেওয়া হবে।

শিক্ষক, শিক্ষিকাগণ সকল নিয়মকানুন অনুসারে যোগদান সম্পন্ন করেই পেশাগত প্রশিক্ষণ গ্রহণ করে কাঙ্খিত শিক্ষাদানের চাকরিটিতে নিয়োজিত হবেন।

DPE Joining Date


 

DPE Primary Teacher's Joined. 

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সুপারিশপ্রাপ্ত শিক্ষকগণের যোগদান।

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহাকারী শিক্ষক পদে সুপারিশপ্রাপ্ত ১৪ হাজার ৩৮৪ জনের যোগদানের তারিখ ঘোষণা করেছেন আজ ১লা আগষ্ট ২০২৬ইং তারিখে। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ে শিক্ষক নিয়োগসংক্রান্ত এক জরুরি ভার্চুয়াল সভায় এ সিদ্ধান্তের কথা জানান প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব মোহাম্মদ সাখাওয়াৎ হোসেন।

তিনি জানান সরকার প্রাথমিক ও গণশিক্ষায় সুপারিশপ্রাপ্ত ১৪ হাজার ৩৮৪ জন শিক্ষকগণের যোগদান অক্টোবর  মাসের ২৯ তারিখে নিশ্চিত করতে গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে। যোগদানের পরপরই তাদের পেশাগত প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হবে।

তদন্ত ও বিভিন্ন কারণে নিয়োগ কার্যক্রম বিলম্বিত হলেও অক্টোবর  ২৯শে অক্টোবর তারিখে তাদের যোগদান করা সম্পন্ন হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে যোগদানের পর নবনিযুক্ত শিক্ষকদের পদায়ন সম্পন্ন করে খুব শীঘ্রই পর্যায়ক্রমে পেশাগত প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।

সকল প্রক্রিয়া শেষ হওয়া মাত্রই সুপারিশপ্রাপ্ত সহকারি শিক্ষক ও শিক্ষিকাগণকে যোগদানের তারিখ ও উপজেলার বিদ্যালয়ের নামসহ তথ্য জানিয়ে দেওয়া হবে।

শিক্ষক, শিক্ষিকাগণ সকল নিয়মকানুন অনুসারে যোগদান সম্পন্ন করেই পেশাগত প্রশিক্ষণ গ্রহণ করে কাঙ্খিত শিক্ষাদানের চাকরিটিতে নিয়োজিত হবেন।


নবম জাতীয় পে-স্কেলের গেজেট প্রকাশ কবে ? When will the gazette for the 9th National Pay Scale be published?



নবম জাতীয় পে-স্কেলের গেজেট প্রকাশ কবে ? When will the gazette for the 9th National Pay Scale be published?

সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের জন্য নবম পে-স্কেলের প্রস্তাবিত সুপারিশসমূহ আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে মন্ত্রীসভায় পেশ করার জন্য অর্থ বিভাগকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

নবম জাতীয় পে-স্কেলের গেজেট এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়নি, তবে প্রক্রিয়াটি একদম চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। অর্থ মন্ত্রণালয় এবং সচিব কমিটির সবশেষ তথ্য অনুযায়ী পে-স্কেলের গেজেট প্রকাশ ও কার্যকরের সম্ভাব্য সময়সূচি নিচে দেওয়া হলো: গেজেট প্রকাশের সম্ভাব্য তারিখঃ মন্ত্রিপরিষদ সচিবের নেতৃত্বে গঠিত কমিটির সবশেষ সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আগামী ১৫ থেকে ২৫শে জুলাই তারিখের মধ্যে নবম জাতীয় পে-স্কেলের চূড়ান্ত প্রজ্ঞাপন বা গেজেট জারি হতে পারে।

কার্যকরের তারিখঃ গেজেট প্রকাশে কিছুটা সময় লাগলেও নতুন পে-স্কেলের কার্যকারিতা জুলাই থেকেই, এটি সুস্পষ্ট অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রীর বক্তব্য অনুযায়ী। অর্থাৎ, ১লা জুলাই-২০২৬ থেকেই ভূতাপেক্ষভাবে কার্যকর করা হবে। অতএব, পহেলা জুলাই থেকেই সরকারি কর্মজীবীরগণ নতুন স্কেলে বেতন পাবেন এবং বকেয়া হিসেবে তা যথাযথভাবে পরিশোধ করা হবে।

বাস্তবায়নের সর্বশেষ রূপরেখা ও ৩টি ধাপ, চূড়ান্ত গেজেট প্রকাশের আগে বর্তমানে প্রক্রিয়াটি তিনটি ধাপের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে: 

সচিব কমিটির চূড়ান্ত প্রতিবেদন: ৩টি আলাদা পে-কমিশনের সুপারিশ পর্যালোচনা করে প্রশাসনিক পর্যালোচনা কমিটি (সচিব কমিটি) একটি খসড়া চূড়ান্ত করেছে, যা খুব দ্রুত মন্ত্রিসভায় পাঠানো হবে।

প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদন: মন্ত্রীসভায় অর্থ মন্ত্রীর সম্মতি ও আলোচনার পর এটি চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে যাবে। 

আইন মন্ত্রণালয়ের ভেটিং ও গেজেট: প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদনের পর আইন মন্ত্রণালয়ের আইনি পরীক্ষা(ভেটিং) শেষেই বিজি প্রেস থেকে চূড়ান্ত গেজেট প্রকাশ করা হবে।

মূল কথা: বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতি ও বাজেট ঘাটতির কথা বিবেচনা করে সরকার পুরো পে-স্কেল ২টি ধাপে বাস্তবায়ন করতে পারে। প্রথম ধাপে (চলতি ২০২৬-২৭) অর্থ বছরে) মূল বেতনের অংশ নতুন গেজেট অনুযায়ী ১০০% বৃদ্ধি পাবে। দ্বিতীয় ধাপে, ভাতা ও অন্যান্য সুবিধা যোগ হবে।

মন্তব্য: গেজেট প্রকাশ হতে পারে জুলাই মাসের শেষে অর্থাৎ আগস্ট মাসে তবে নতুন পে-স্কেলের বেতন কার্যকর করা হবে ১লা জুলাই-২০২৬ তারিখ হতেই। শুধুমাত্র বাস্তবায়ন হতে কিছুটা সময় অপেক্ষা করতে হবে।

যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের অফিস সহায়ক পদের লিখিত পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ ২০২৬



যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের অফিস সহায়ক পদের লিখিত পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ ২০২৬

যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের অফিস সহায়ক পদের নিয়োগ পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ ২০২৬, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের অফিস সহায়ক পদের নিয়োগ পরীক্ষা ২৭শে জুন ২০২৬ (শনিবার) সকাল ১১ থেকে ১২ পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হয়েছে। যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরে অফিস সহায়ক পদে নিয়োগ পরীক্ষায় ঢাকা শহরে ৪৬টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে (কেন্দ্রে) একযোগে অনুষ্ঠিত হয়েছে। অফিস সহকারী ১০৩টি, অফিস সহায়ক ও অন্যান্য পদসহ মোট ১৪৩টি শূন্যপদ রয়েছে। মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল এক লাখ ১৫ হাজার (প্রায়)।

ফলাফল দেখার ও বিস্তারিত জানার জন্য সরকারি ওয়েবসাইটঃ www.dyd.gov.bd এ প্রবেশ করুন। ওয়েবসাইটের হোম পেজে মেনু বার থেকে চাকরি কর্ণার (jobs/notice board) এ ক্লিক করুন।

সাধারণত ফলাফল প্রকাশের পর কৃতকার্য প্রার্থীদের মোবাইলে এসএমএস-এর মাধ্যমে পরবর্তী পরীক্ষার (ব্যবহারিক/মৌখিক) তারিখ ও স্থান জানিয়ে দেওয়া হয়। 

উপযুক্ত বিষয়ের পরিপ্রেক্ষিতে জানানো যাচ্ছে যে, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের আওতায় রাজস্বখাতভুক্ত অফিস সহায়ক পদের (২০ তম গ্রেডের) ১৪৩টি শূন্য পদে সরাসরি নিয়োগের লক্ষ্যে লিখিত পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে নিম্নলিখিত রোল নম্বরধারীদেরকে পরবর্তী পরীক্ষার জন্য নির্বাচন করা হলো।

বিদ্যমান সকল বিধিবিধান অনুসরণ এবং আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করে প্রা্র্থীগণের অনুকূলে মৌখিক পরীক্ষার জন্য ডাকযোগে নোটিশ প্রেরণ করা হবে। 

যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের অফিস সহায়ক পদের লিখিত পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ হবে ০৯/০৭/২০২৬ সম্ভাব্য

নবম জাতীয় পে-স্কেলের গেজেট প্রকাশ কবে ?

 


নবম জাতীয় পে-স্কেলের গেজেট

নবম জাতীয় পে-স্কেলের গেজেট প্রকাশ কবে ?

সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য নবম জাতীয় পে-স্কেলের গেজেট প্রকাশের বিষয়টি এখন চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে এবং এটি সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য অন্যতম প্রধান একটি আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু। সরকারের উচ্চ পর্যায়ে বর্তমানে এটি নিয়ে তোড়জোড় চলছে। সর্বশেষ তথ্যানুযায়ী গেজেট প্রকাশ ও কার্যকরের সম্ভাব্য সময় নিচে তুলে ধরা হলো। চূড়ান্ত খসড়া ও পর্যালোচনা: সাবেক বেতন কমিশনের প্রতিবেদন ও সুপারিশ প্রধানমন্ত্রীর নিকট জমা দেওয়া হয়েছে আগেই। অর্থ এবং  জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় বর্তমানে এই খসড়া ও সচিব কমিটির সুপারিশসমূহ পর্যালোচনা করা হয়েছে।

নবম জাতীয় পে-স্কেলের গেজেট সম্ভাব্য প্রকাশের সময়: সরকারি সূত্র এবং সাম্প্রতিক ইঙ্গিত অনুযায়ী ২০২৬ সালের জুলাই মাসের শুরুতে (নতুন অর্থবছর ২০২৬-২৭ এর সঙ্গে মিলিয়ে অথবা জুলাইয়ের যেকোনো দিন পূর্নাঙ্গ গেজেট প্রকাশ হওয়ার জোরালো সম্ভাবনা রয়েছে। 

নবম জাতীয় পে-স্কেলের গেজেট ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন: জানা গেছে যে বাজেট বরাদ্দের সামঞ্জস্য রাখতে নতুন েএই পে-স্কেলটি ৩টি ধাপে বাস্তবায়িত হতে পারে। প্রথম বছরে মূল বেতনের একটি নির্দিষ্ট অংশ (যেমন ৫০% করে এং তারপরে ভাতাসমূহ পূর্নাঙ্গভাবে কার্যকর করার পরিকল্পনা রয়েছে।

নবম জাতীয় পে-স্কেলের গেজেট এক নজরে প্রস্তাবিত স্কেল: এবারের কাঠামোতে ২০টি গ্রেড বহাল রেখেই সর্বনিম্ন গ্রেডের (২০তম গ্রেড) মূল বেতন      ৮, ২৫০ থেকে বাড়িয়ে ২০০০০ টাকা এবং সর্বোচ্চ গ্রেডের (১ম গ্রেড) বেতন ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা করার প্রস্তাব করা হয়েছে। খুব শীঘ্রই এটি অনুমোদনের জন্য চূড়ান্ত করা হবে এবং সরকারের পক্ষ হতে প্রজ্ঞাপন বা গেজেট জারি হলেই প্রকৃত তারিখটি নিশ্চিতভাবে জানা যাবে। 

গুরুত্বপূর্ণ ও হাই ভোল্টেজ বৈঠকে অনুষ্ঠিত নবম জাতীয় পে-স্কেল চূড়ান্ত



গুরুত্বপূর্ণ ও হাই ভোল্টেজ বৈঠকে অনুষ্ঠিত নবম জাতীয় পে-স্কেল চূড়ান্ত

আজ ২৪শে জুন, ২০২৬ইং তারিখে সচিবালয়ে মন্ত্রি পরিষদ সচিব নাসিমুল গণির নেতৃত্বে পূর্নগঠিত সচিব কমিটির একটি গুরুত্বপূর্ণ ও হাই ভোল্টেজ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। মূলত সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারিদের বহুল প্রতীক্ষিত নবম জাতীয় পে-স্কেল চূড়ান্ত করার লক্ষ্যে এই জরুরী সভা ডাকা হয়।

বৈঠকের মূল অগ্রগতি ও আলোচনাঃ

প্রধান দিকগুলো 

দুই ধাপে করার প্রস্তাব 

দুই ধাপে বাস্তবায়ন করার রোডম্যাপের বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে।

নতুন পে-স্কেল কারিগরিভাবে ১লা জুলাই ২০২৬ থেকে কার্যকর করার নীতিগতভাবে সিদ্ধান্ত রয়েছে। তবে, ডিজিটাল ডাটা এন্ট্রি আইবাস++ আইনি প্রক্রিয়া এবং গেজেট প্রকাশের আনুষ্ঠানিকতা শেষ হতে জুলাই মাস সময় লেগে যেতে পারে। 

বেতন বৈষম্য ও গ্রেড ভিত্তিক বৃদ্ধি

মূল্যস্ফীতির চাপ বিবেচনা করে নিম্নআয়ের কর্মচারীদের জন্য বেশি জোর দেওয়া হয়েছে। আলোচনা অনুযায়ী ১০ থেকে ২০ গ্রেডের কর্মচারীদের মূল বেতন প্রায় ৬০ শতাংশ এবং ১ম থেকে ৯ম গ্রেডের কর্মকর্তাদের ৪০ শতাংশ বৃদ্ধির প্রাথমিক রূপরেখা নিয়ে কারিগরি জটিলতা দূর করার চেষ্টা চলছে।

বেতন বৈষম্য নিরসন

মূল বেতনের পাশাপাশি বাড়িভাড়া ও চিকিৎসাভাতা ও যাতায়াত ভাতা যৌক্তিক হারে বৃদ্ধি এবং বিগত দিনের বেতন বৈষম্যগুলো দূর করার আইনি দিকগুলো আলোচনা করা হয়েছে। প্রত্যেক সন্তানের জন্য শিক্ষাভাতা মাসিক ২০০০ টাকা করা হয়েছে। মেডিকেল ভাতা ৪০ বছর বা তার কম বয়সীদের জন্য ৪০০০ টাকা। ৪০ বছর থেকে ৫৫ বছর পর্যন্ত ৫০০০ টাকা। ৫৫ বছর থেকে ৭৪ বছর পর্যন্ত ৮০০০ টাকা। ৭৫ থেকে ৮০ বছর বয়স পর্যন্ত ১০,০০০ টাকা।

টিফিন ভাতা ১০০০ টাকা করা হয়েছে ৯ম জাতীয় পে স্কেলে !!!!!

ধোলাই ভাতা পূর্বের ন্যায় ১০০ টাকা বহাল রয়েছে।

যাতায়াত ভাতা ৩৫০ টাকা বহাল রয়েছে। 

প্রতিবন্ধী সন্তানদের জন্য মাসিক ২০০০ টাকা।

মূল বেতনের ৫০% পাওয়া যাবে বৈশাখী ভাতা 

আজকের সচিব কমিটির এই পযালোচনার পর চূড়ান্ত প্রস্তাবটি অনুমোদনের জন্য সরকারের শীর্ষ পর্যায়ে পাঠানো হবে। এরপর অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে আনুষ্ঠানিক গেজেট প্রকাশ করা হবে।