Ministry of Food - MoFood Job Circular 2026// খাদ্য মন্ত্রণালয়ে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২৬

 


বাংলাদেশ সরকারের খাদ্য অধিদপ্তর (Directorate General of Food) - এ চাকরির নতুন নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছে  সাটঁ মুদ্রাক্ষরিক কাম কম্পিউটার অপারেটর, অফিস সহকারী কাম-কম্পিপউটার মুদ্রাক্ষরিক, অফিস সহায়ক পদসমূহে নিয়োগের নিমিত্তে বাংলাদেশের প্রকৃত নাগরিকদের চাকরির সুযোগ দেওয়া হচ্ছে। বাংলাদেশ সরকারের খাদ্য অধিদপ্তর (Directorate General of Food) টি পদে সর্বমোট ১৮ জন কে নিয়োগ দেওয়া হবে।পদগুলোতে নারী ও পুরুষ উভয়ই আবেদন করতে পারবেন ডাকযোগে বা সরাসরি আবেদন করার জন্য  নিচে নিয়োগের পদ সমূহ এবং আবেদন পদ্ধতি বিস্তারিত উল্লেখ করা হলো।

প্রতিষ্ঠানের নামঃ খাদ্য মন্ত্রণালয় (Ministry of Food - MoFood)

অফিসিয়াল ওয়েবসাইটঃ http://mofood.teletalk.com.bd
বয়সসীমাঃ  ০১-০৬-২০২৬ তারিখে  ১৮ থেকে ৩২ 
বেতন স্কেলঃ উপরে বর্ণিত
কর্মস্থলঃ বাংলাদেশের যেকোন স্থান
আবেদনের পদ্ধতিঃ অনলাইনে আবেদন করতে হবে

আবেদন ফিঃ ৫৬/- বা ১১২/-

অফিসিয়াল ওয়েবসাইটঃ www.dgfood.gov.bd

খাদ্য অধিদপ্তর এর নতুন নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত পদসমূহে আবেদন করতে নিচের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিটি দেখুন

অনলাইনে আবেদন করার শুরুর তারিখঃ  ০৪/০৬/২০২৬ সকাল ১০ টায়

অনলাইনে আবেদন করার শেষ তারিখঃ  ২৮/০৬/২০২৬ইং তারিখ বিকাল ৫ টায়


Directorate General of Food






খাদ্য অধিদপ্তর  (Directorate General of Food)  নিয়োগের জন্য আবেদন ফরম ডাউনলোড করতে নিচের ''Download Application Form'' বাটনে ক্লিক করুনঃ



খাদ্য অধিদপ্তর  (Directorate General of Food)এ নিয়োগের জন্য অনলাইনে পূরণকৃত আবেদন ফরমের মাধ্যমে অনলাইনে আবেদন প্রেরণ করতে হবেঃ




খাদ্য অধিদপ্তর  (Directorate General of Food) - এর নিয়োগের জন্য উপর্যুক্ত প্রক্রিয়ায় সঠিকভাবে আবেদন করুন। পাশাপাশি নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি টি শেয়ার করে আপনার বন্ধুদের জানিয়ে দিন।


আপনি কি যেকোন ধরণের চাকুরির বিজ্ঞপ্তি খুঁজছেনতাহলে সবার আগে সবধরণের চাকুরির বিজ্ঞপ্তি পেতে আমাদের ওয়েবসাইট এবং ফেইসবুক পেইজ ফলো করুন। আমাদের সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ।

DYD Job Circular 2026 // যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরে ২৪২ জনের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২৬

 



গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর (Department of Youth Development DYD) এ ‘সহকারী উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা’ পদে ২৪২ জনের নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি ২০২৬ইং। 

যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর (Department of Youth Development DYD) এ ‘সহকারী উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা’ পদে ২৪২ জনের নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছেন কর্তৃপক্ষ। যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর (Department of Youth Development DYD) এ সহকারী উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা পদের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে আবেদন করতে বিস্তারিত তথ্য নিচে দেখুন।

১। পদের নামঃ সহকারী উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা

পদসংখ্যাঃ  ২৪২ জন

শিক্ষাগত যোগ্যতাঃ স্নাতক বা সমমান

বয়সসীমাঃ ১৮ থেকে ৩২ বছর (২৩/০৬/২০২৬ ইং তারিখে)

আবেদন ফিঃ ১১২/- টাকা

নাগরিকত্বঃ বাংলাদেশী।

যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের রাজস্বখাতভূক্ত শূন্য পদে সম্পূর্ণ অস্থায়ী পদে সহকারী উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা পদে জনবল নিয়োগের আবেদন আহবান করা হয়েছে। অনলাইনে আবেদনের সময় ২৪-০৫-২০২৬ইং সকাল ৯টা হতে ২৩-০৬-২০২৬ তারিখ বিকাল ০৪:০০ পর্যন্ত।


প্রতিষ্ঠানের নামঃ যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর (Department of Youth Development DYD)

অফিসিয়াল ওয়েবসাইটঃ http://www.dyd.gov.bd/


আবেদন শুরুর তারিখঃ ২৪শে মে, ২০২৬ ইং তারিখে সকাল ৯ টা।

আবেদন শেষের তারিখঃ ২৩শে জুন, ২০২৬ইং তারিখ বিকাল ৪টা।








যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর (Department of Youth Development DYD) এ নিয়োগ পরীক্ষার ফলাফল/পরীক্ষার দেখুনঃ    এখানে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের লিংকে 



বিজ্ঞপ্তি দেখুন, আবেদন করতে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটের লিংকে ক্লিক করুনঃ

                                                            dyd.gov.bd/pages/news/


যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২৬ (Department of Youth Development DYD Job Circular 2026 

যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর (Department of Youth Development DYD) এ  নিয়োগের বিজ্ঞপ্তিসহ সরকারি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, আন্তঃমন্ত্রণালয়, দপ্তর, পরিদপ্তর, মন্ত্রণালয়, ব্যাংক, বীমা, ্স্বায়ত্ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠান, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা মন্ত্রণালয়, এনজিও, সেনাবাহিনী, নৌ-বাহিনী, পুলিশ, আনসার-ভিডিপি, এয়ারফোর্স/বিমানবাহিনীসহ বিভিন্ন চাকরির খবর। আপনি কি চাকরির বিজ্ঞপ্তি খুঁজছেন? যে কোনো ধরণের চাকরির বিজ্ঞপ্তি পেতে এখনই আমাদের ওয়েবসা্ইট পেইজে দেখুন।

প্রতিদিনের চাকরির বিজ্ঞপ্তি পেতে পেইজের সাথেই থাকুন। প্রতিদিনের সরকারি চাকরির বিজ্ঞপ্তি, সরকারি দপ্তরে আউটসোর্সিং চাকরির বিজ্ঞপ্তিসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের চাকরির আবেদনের নিয়মসহ বিস্তারিত তথ্য জানতে Bdjobs7day.com পেইজের সাথেই থাকুন।

DSS Job Circular 2026 // সমাজসেবা অধিদপ্তর এ ১৪৮৫ জনের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২৬




DSS Job Circular 2026// সমাজ সেবা অধিদপ্তর এ বিভিন্ন পদে ১৪৮৫ জনের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২৬ 

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের অধীনে সমাজসেবা অধিদপ্তর (Department of Social Service DSS) - এ চাকুরির বিশাল নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছে। সমাজসেবা অধিদপ্তর (Department of Social Service DSS শূণ্য পদসমূহে নিয়োগের নিমিত্তে বাংলাদেশের প্রকৃত নাগরিকদের চাকরির সুযোগ দেওয়া হচ্ছে। সমাজসেবা অধিদপ্তর (Department of Social Service DSS)  ৫২টি ভিন্ন ক্যাটাগরিতে ১৪৮৫ কে নিয়োগ দেওয়া হবে। পদগুলোতে নারী ও পুরুষ উভয়ই উভয়ই আবেদন করতে পারবেন। অনলাইনের মাধ্যমে আবেদন করার জন্য  নিচে নিয়োগের পদসমূহ এবং আবেদন পদ্ধতি বিস্তারিত উল্লেখ করা হলো।


সমাজসেবা অধিদপ্তর (Department of Social Service DSS) এর মাধ্যমে নির্ধারণ যোগ্য বাংলাদেশী নাগরিকদের নিকট হতে লিখিত সত্ত্বে ৩য় শ্রেণির বিভিন্ন পদসমূহে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২৬ এ https://dss.teletalk.com.bd ওয়েবসাইটের মাধ্যমে বিস্তারিত তথ্য দেখে আবেদন করার আহ্বান করা যাচ্ছে।


৫২ ক্যাটাগরির বিভিন্ন পদে সমাজ সেবা অধিদপ্তর এ ১৪৮৫ জনের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২৬

Department of Social Service DSS Job Details

৫২ ক্যাটাগরিতে ১৪৮৫ জনের বিশাল নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২৬ স্নাতক, উচ্চ মাধ্যমিক, মাধ্যমিক, অষ্টম শ্রেণি ও অন্যান্য শিক্ষাগত যোগ্যতায় বিভিন্ন পদের আবেদন ও বয়সসীমাসহ বিস্তারিত দেখুন নিচের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে।


Department of Social Service DSS Job Apply Process


প্রতিষ্ঠানের নামঃ সমাজসেবা অধিদপ্তর (Department of Social Service DSS)
অফিসিয়াল ওয়েবসাইটঃ https://www.dss.gov.bd/
আবেদনের পদ্ধতিঃ অনলাইনে টেলিটকের মাধ্যমে আবেদন করা যাবে
বয়সসীমাঃ ০১/০৬/২০২৬ তারিখে ১৮ থেকে ৩২ বছর।

আবেদন করার শুরুর তারিখ ২রা জুন, ২০২৬; সকাল ১০ টা
আবেদন করার শেষ তারিখঃ ২৩শে জুন, ২০২৬; বিকাল ০৫টা

সমাজসেবা অধিদপ্তর (Department of Social Service - DSS) -  নিয়োগের বিস্তারিত জানতে নিচের বিজ্ঞপ্তিটি দেখুনঃ





সমাজসেবা অধিদপ্তর (Department of Social Service DSSএ আবেদন করার জন্য নিচের লিংকে ক্লিক করুন:










সমাজসেবা অধিদপ্তর (Department of Social Service DSS) এর (১৪০০ এর অধিক পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২৬ এবং ২০২৪ সালের সমাজকর্মী (ইউনিয়ন) পদে ৩য় শ্রেণির ২০৯ জনের) এই বিজ্ঞপ্তির প্রেক্ষিতে নিয়োগের জন্য উপর্যুক্ত প্রক্রিয়ায় সঠিকভাবে আবেদন করুন। পাশাপাশি নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি টি শেয়ার করে আপনার বন্ধুদের জানিয়ে দিন।

আপনি কি যেকোন ধরণের চাকুরির বিজ্ঞপ্তি খুঁজছেনতাহলে সবার আগে সবধরণের চাকুরির বিজ্ঞপ্তি পেতে আমাদের ওয়েবসাইট এবং ফেইসবুক পেইজ ফলো করুন। আমাদের সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ।

চিড়িয়াখানায় ডোনাল্ড ট্রাম্প মহিষের কি অবস্থা?


 

ঢাকা মিরপুর জাতীয় চিড়িয়াখানা বাংলাদেশের উল্লেখযোগ্য প্রাণী রাখার একটি প্রধান স্থান। 

চিড়িয়াখানায় ডোনাল্ড ট্রাম্প মহিষের কি অবস্থা?

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তুমুল ঝড় তোলা এবং কোরবানি ঈদের ঠিক আগ মূহুর্তে নাটকীয়ভাবে বেচে যাওয়া এলবিনো জাতের সাদা জাতের মহিষ (ডোনাল্ড ট্রাম্প) এখন রাজধানীর মিরপুরে অবস্থিত জাতীয় চিড়িয়াখানায় বেশ রাজকীয় হালে এবং কড়া নিরাপত্তায় রয়েছে।

বর্তমানে মহিষটির শারিরীক অবস্থা এবং চিড়িয়াখানায় তার দিনকাল কেমন কাটছে তার বিস্তারিত নিচে দেওয়া হলো।

১। বর্তমান বাসস্থান ও পরিচয়

মহিষটিকে চিড়িয়াখানার এল-০৭ (L-07) নম্বর খাঁচায় রাখা হয়েছে। খাচার সামনে চিড়িয়াখানার কর্তৃপক্ষ একটি পরিচিতি ফলক ঝুলিয়ে দিয়েছে যেখানে লেখা রয়েছে সাদা মহিষ (ডোনাল্ড ট্রাম্প) এবং ইংরেজিতে Albino Buffalo 

২। রাজকীয় খাদ্য তালিকা (ডেইলি ডায়েট)

চিড়িয়াখানায় আসার পরে মহিষটির জন্য একটি নির্দিষ্ট এবং পুষ্টিকর খাদ্য তালিকা তৈরি করা হয়েছে। সে প্রতিদিন যা খাচ্ছে--

* নেপিয়ান ঘাস:- প্রতিদিন প্রায় ২৫ কেজি তাজা এই ঘাস খায় 

* ছোলা ও ভুসি:- দৈনিক পাঁচ কেজি দানাদার খাদ্য (ছোলা ও ভুসি)

* পানি:- প্রতিদিন প্রায় আধামণ (২০ কেজি পান করছে)

* খাবারের সময়সুচি:- সকাল ৯টায় প্রথম দফায় ছোলা ভূসি, বেলা ১১টায় ঘাস, দুপুর ২টার পর আবার ঘাস এবং বিকেল ৩টায় শেষ দফায় ছোলা, ভূসি দেওয়া হয়।

৩। দর্শনার্থীদের উপচে পড়া ভীর ও নিরাপত্তা

 ঈদের পর থেকেই চিড়িয়াখানায় মানুষের মূল আকর্ষণ এখন এই ডোনাল্ড ট্রাম্প। এটিকে দেখতে দেশ-বিদেশ থেকে দর্শনার্থীরা এল-০৭ (L-07) ব্লকের সামনে ভীর জমাচ্ছে। অতিরিক্ত ভীরের কারণে প্রাণিটি যাতে কোনো অসস্বিতে না পরে সেজন্য বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

* ট্যুরিস্ট পুলিশ মোতায়ন:- দর্শনার্থীদের সামলাতে এবং মহিষটির নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে খাঁচার সামনে সার্বক্ষণিক ট্যুরিস্ট পুলিশ দায়িত্ব পালন করছে। 

* দুরত্ব বজায় রাখা:- দর্শনার্থীদের একটি নির্দিষ্ট দুরত্ব রেখে মহিষটি দেখার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

* মহিষটি ডোনাল্ড ট্রাম্প হয়ে ওঠার গল্প:- এটি মূলত একটি বিরল প্রজাতির এলবিনো মহিষ। শরীরের মেলানিনের ঘাতটির কারণে গায়ের রং সাদা এবং গোলাপি হয়।  প্রতি ১০ হাজার মহিষের মধ্যে মাত্র একটি এমন হতে পারে। এর মাথার ওপরে সোনালি রংয়ের চুলের ঝুঁটি এবং গাঁয়ের রংয়ের সাথে যুক্তরাষ্টের বর্তমান প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের চেহারার মিল খুঁজে পাওয়ায় খামারিরা ভালবেসে এর নাম রেখেছিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। 

পুরোদেশে এটি ভাইরাল হওয়ার পর সরকারের পক্ষ থেকে এর মালিককে ক্ষতিপূরণ দিয়ে বা অন্য পশুর সাথে বদল দিয়ে মহিষটিকে কোরবানি করা থেকে বিরত রাখা হয়েছে এবং দীর্ঘমেয়াদী সংরক্ষণের জন্য হস্তান্তর করা হয়।

শিক্ষকদের উৎসব বাড়ানো নিয়ে কি বললেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী কি বলেছেন?

 


শিক্ষকদের উৎসব বাড়ানো  নিয়ে কি বললেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী।

এমপিওভুক্ত বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের উৎসবভাতা (ঈদ বোনাস) ধাপে ধাপে বৃদ্ধি করে শেষ পর্যন্ত শতভাগে (১০০%) উন্নীত করার ঘোষণা দিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী আনম ডক্টর এহসানুল মিলন। সম্প্রতি একটি বেসরকারি টেলিভিশন এবং সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি শিক্ষকদের উৎসবভাতা বৃদ্ধির বিষয়ে সরকারের পরিকল্পনা ও সিদ্ধান্তের কথা জানান। 

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ধাপে ধাপে শতভাগ ্‌উৎসবভাতা বৃদ্ধি করার পরিকল্পনা রয়েছে। শিক্ষামন্ত্রী স্পষ্ট করে বলেছেন যে শিক্ষকদের উৎসবভাতা বর্তমানে যে স্তরে রয়েছে তা ধাপে ধাপে বাড়ানো হবে এবং চূড়ান্ত লক্ষ্য হলো এটিকে সরকারি চাকুরিজীবীদের মতো শতভাগে উন্নীত করা।

চলতি বছর আরো ১০% বৃদ্ধি, মন্ত্রী জানান এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা বর্তমানে মূল বেতনের ৫০% উৎসবভাতা পাচ্ছেন। চলতি বছর ২০২৬ এর সাথে আরও ১০% বৃদ্ধি করা হবে। অর্থাৎ ২০২৬ সালে উৎসবভাতা ৬০ শতাংশতে উন্নীত করা হচ্ছে।

অন্যান্য সুবিধা বৃদ্ধি, উৎসবভাতার পাশাপাশি শিক্ষকদের চিকিৎসা ভাতা ও বাড়িভাড়াসহ অন্যান্য সুযোগ সুবিধাগুলোও সরকার পর্যায়ক্রমে বাড়ানোর উদ্যোগ নিচ্ছে। বর্তমানে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর শিক্ষকদের শতভাগ মূল বেতন সরকার বহন করছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। 

শিক্ষকদের আর আন্দোলনে নামতে হবে না। শিক্ষামন্ত্রী আশ্বস্ত করে বলেন, দেশের শিক্ষাখাতকে বর্তমান সরকার সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে। শিক্ষকদের আর্থিক নিরাপত্তা ও জীবনমান উন্নত করতে সরকার নিজে থেকেই কাজ করছে। তাই নিজেদের দাবি নিয়ে শিক্ষকদের আর রাজপথে নামতে হবে না।

শিক্ষা ব্যবস্থার এই সংস্কার ও শিক্ষকদের সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি দেশের সামগ্রিক শিক্ষা কার্যক্রমে একটি অত্যন্ত ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে শিক্ষা সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন। 

প্রস্তাবিত এবং আগামী ১ জুলাই থেকে বাস্তবায়নের দিকে এগিয়ে যাওয়া নবম জাতীয় পে স্কেলে সরকারি শিক্ষকদের পাশাপাশি বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষক ও কর্মচারীদের জন্যও বড় ধরনের আর্থিক সুবিধা ও সুযোগ-সুবিধার পরিকল্পনা করা হয়েছে।

নতুন পে স্কেলের আলোকে শিক্ষকদের যে সব সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধির প্রস্তাব ও পরিকল্পনা রয়েছে, তার একটি বিবরণ নিচে দেওয়া হলো:

১. মূল বেতন বা বেসিক বৃদ্ধি (৫০% থেকে ১০০% পর্যন্ত)

শিক্ষকদের গ্রেড অনুযায়ী মূল বেতন উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে:

  • উচ্চ ও মধ্যম গ্রেড (১ম থেকে ১০ম গ্রেড): কলেজ প্রভাষক, সহকারী অধ্যাপক, প্রধান শিক্ষক ও অধ্যক্ষদের ক্ষেত্রে মূল বেতন প্রায় ৫০% বৃদ্ধির পরিকল্পনা চূড়ান্ত করা হচ্ছে।

    • যেমন: ৯ম গ্রেডের একজন কলেজ প্রভাষকের বেসিক ২২,০০০ টাকা থেকে বেড়ে ৩৩,০০০ টাকা এবং ৪র্থ গ্রেডের একজন অধ্যক্ষের বেসিক ৫০,০০০ টাকা থেকে বেড়ে ৭৫,০০০ টাকা হতে পারে। (কোনো কোনো প্রস্তাবে এটি আরও বেশি সুপারিশ করা হয়েছে)।

  • নিম্ন ও নিম্ন-মধ্যম গ্রেড (১১তম থেকে ২০তম গ্রেড): বিএডবিহীন সহকারী শিক্ষক এবং অন্যান্য কর্মচারীদের ক্ষেত্রে মূল বেতন ৫০% থেকে সর্বোচ্চ ১০০% (দ্বিগুণ) পর্যন্ত বাড়ানোর প্রস্তাব বিবেচনাধীন রয়েছে।

২. বাড়ি ভাড়া ভাতা বৃদ্ধি

এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের জন্য বাড়ি ভাড়া ভাতা দুই ধাপে মোট ১৫% বৃদ্ধির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

  • প্রথম ধাপের ৭.৫% ইতিমধ্যেই কার্যকর হয়েছে।

  • আগামী ১ জুলাই থেকে দ্বিতীয় ধাপের আরও ৭.৫% যুক্ত হয়ে মোট বাড়ি ভাড়া ভাতা দাঁড়াবে মূল বেতনের ১৫%। তবে ক্ষেত্রবিশেষে সর্বনিম্ন ভাতা ২,০০০ টাকা নির্ধারিত থাকবে।

৩. অন্যান্য ভাতা ও সামাজিক নিরাপত্তা

পে কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী শিক্ষকদের অন্যান্য ভাতাতেও ইতিবাচক পরিবর্তন আসছে:

  • বৈশাখী ভাতা: বৈশাখী ভাতা মূল বেতনের ৫০% করার সুপারিশ করা হয়েছে।

  • টিফিন ভাতা: নিম্ন গ্রেডের কর্মচারীদের টিফিন ভাতা ২০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১,০০০ টাকা করার প্রস্তাব রয়েছে।

  • প্রতিবন্ধী সন্তান সহায়তা: শিক্ষকদের মধ্যে যাদের প্রতিবন্ধী সন্তান রয়েছে, তাদের জন্য প্রতি সন্তানের বিপরীতে মাসিক ২,০০০ টাকা (সর্বোচ্চ দুই সন্তানের জন্য) বিশেষ ভাতার প্রস্তাব করা হয়েছে।

৪. অবসর সুবিধা ও পেনশন বৃদ্ধি

অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক ও সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য পেনশনে বড় ধরনের স্বস্তি আনা হচ্ছে:

  • যাদের মাসিক পেনশন ২০,০০০ টাকার কম, তাদের সুবিধা ১০০% (দ্বিগুণ) করার সুপারিশ করা হয়েছে।

  • বয়সভেদে চিকিৎসা ভাতাও পুনর্গঠন করা হচ্ছে, যা অবসরে যাওয়া বয়োজ্যেষ্ঠ শিক্ষকদের চিকিৎসাক্ষেত্রে বড় ওয়ান-স্টপ সাপোর্ট দেবে।

বিশেষ দ্রষ্টব্য: এই নতুন বেতন কাঠামো ও সুযোগ-সুবিধাগুলো আগামী জুলাই মাসের বাজেট সেশনের মাধ্যমে চূড়ান্তভাবে বাস্তবায়িত হতে যাচ্ছে, যা সারাদেশের সরকারি ও প্রায় পৌনে ৫ লাখ এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীর জীবনযাত্রার মানোন্নয়নে বড় ভূমিকা রাখবে।

শেষ মুহূর্তে যে সব চূড়ান্ত হলো, থেমে নেই পে-স্কেল কার্যক্রম।

 


থেমে নেই পে-স্কেল কার্যক্রম। শেষ মুহূর্তে যে সব চূড়ান্ত হলো

থেমে নেই পে-স্কেল কার্যক্রম। শেষ মুহূর্তে যে সব চূড়ান্ত হলো !! অবশেষে বাস্তবতার মুখ দেখতে যাচ্ছে সরকারি চাকরিজীবীদের নবম জাতীয় পে-স্কেল।যা বাস্তবায়নের জন্য কায়ক্রম চলমান। চূড়ান্ত করা হয়েছে ৩৫ হাজার কোটি টাকা। নতুন পে-স্কেলে সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য বরাদ্দ ৩৫ হাজার কোটি টাকা। ২০২৬-২৭ অর্থ বছরে সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য নতুন পে-স্কেলের জন্য বরাদ্দ রাখা হচ্ছে।

নতুন পে-স্কেলে সরকারি চাকরিজীবীদের মূল বেতনের ৫০ শতাংশ বাড়ানোর পরিকল্পণা করা হয়েছে। ১১ থেকে ২০ গ্রেডের চাকুরিজীবীদের ক্ষেত্রে বেসিকের শতভাগ বৃদ্ধির গুঞ্জনও রয়েছে। নবম পে-স্কেল নিয়ে গঠিত পে-কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী বর্তমানে ১ম গ্রেডের মূল বেতন ৭৮ হাজার টাকা,  এটি ৫০ শতাংশ ‍বৃদ্ধি হলে দাঁড়াবে ১ লক্ষ ১৭ হাজার টাকা। ২য় গ্রেডের মূল বেতন ৬৬ হাজার টাকা থেকে ৭৬ হাজার ৪৯০ টাকা থেকে বেড়ে হবে  ৯৯ হাজার থেকে ১ লাখ ১৪ হাজার টাকা। ৩য় গ্রেডে ৫৬ হাজার ৫০০ থেকে ৭৪ হাজার ৪০০ টাকা বেড়ে হবে ৮৪ হাজার ৭৫০ থেকে ১ লাখ ১১ হাজার ৬০০ টাকা। 

৪র্থ গ্রেডের বেতন ৫০ হাজার থেকে ৭১ হাজার ২০০ টাকা থেকে বেড়ে ৭৫ হাজার টাকা থেকে ১ লাখ ছয় হাজার ৮০০ টাকা, ৫ম গ্রেডে ৪৩ হাজার থেকে ৬৯ হাজার ৮৫০ টাকা থেকে বেড়ে দাড়াবে ৬৪ হাজার ৫০০ থেকে ১ লাখ ৪ হাজার ৪৭৫ টাকা। ৬ষ্ঠ গ্রেডে ৩৫ হাজার ৫০০ থেকে ৬৭ হাজার ১০ টাকা বৃদ্ধি পেয়ে হবে ৫৩ হাজার ২৫০ থেকে ১ লাখ ৫১৫ টাকা।৭ম গ্রেডের ২৯ হাজার টাকা থেকে ৬৩ হাজার ৪১০ টাকা বেড়ে হবে ৪৩ হাজার ৫০০ থেকে ৯৫ হাজার ১১৫ টাকা।৮ম গ্রেডে ২৩ হাজার থেকে ৫৫ হাজার ৪৭০ টাকা থেকে বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়াবে ৩৪ হাজার ৫০০ থেকে ৮৩ হাজার ২০৫ টাকা।৯ম গ্রেডের ২২ হাজার থেকে ৫৩ হাজার ৬০ টাকা বেড়ে হবে ৩৩ হাজার থেকে ৭৯ হাজার ৫৯০ টাকা। ১০ম গ্রেডে ১৬০০০ থেকে ৩৮ হাজার ৬৪০ টাকা বেড়ে দাঁড়াবে ২৪ হাজার থেকে ৫৭ হাজার ৯৬০ টাকা।

১১ থেকে ২০ গ্রেডের বর্তমান মূল বেতনের ওপর ৫০% বৃদ্ধি করা হলে ১১ তম গ্রেডের বেতন ১২ হাজার ৫০০ থেকে ৩০ হাজার ২৩০ বেড়ে হবে ১৮ হাজার ৭৫০ থেকে ৪৫ হাজার ৩৪৫ টাকা, ১২-তম গ্রেডের ১১ হাজার ৩০০ থেকে ২৭ হাজার ৩০০ টাকা বেড়ে দাঁড়াবে ১৬ হাজার ৯৫০ থেকে ৪০ হাজার ৯৫০ টাকা, ১৩-তম গ্রেডে ১১ হাজার থেকে ২৬ হাজার ৫৯০ টাকা থেকে বৃদ্ধি পেয়ে হবে ১৬ হাজার ৫০০ থেকে ৩৯ হাজার ৮৮৫ টাকা। ১৪ গ্রেডের ১০ হাজার ২০০ থেকে ২৪ হাজার ৬৮০ টাকা বেড়ে  হবে ১৫ হাজার ৩০০ থেকে ৩৭ হাজার ২০ টাকা। ১৫-তম গ্রেডের ৯ হাজার ৭০০ থেকে ২৩ হাজার ৪৯০ টাকা বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়াবে ১৪ হাজার ৫৫০ থেকে ৩৫ হাজার ২৩৫ টাকা।

১৬-তম গ্রেডের ৯ হাজার ৩০০ থেকে ২২ হাজার ৪৯০ টাকা থেকে বৃদ্ধি পেয়ে ১৩ হাজার ৯৫০ থেকে ৩৩ হাজার ৭৩৫ টাকা। ১৭-তম গ্রেডের ৯ হাজার থেকে ২১ হাজার ৮০০ টাকা থেকে বৃদ্ধি পেয়ে হবে ১৩ হাজার ৫০০ থেকে ৩২ হাজার ৭০০ টাকা। ১৮-তম গ্রেডে ৮ হাজার ৮০০ থেকে ২১ হাজার ৩১০ টাকা থেকে বেড়ে দাঁড়াবে ১৩ হাজার ২০০ থেকে ৩১ হাজার ৯৯৫ টাকা। ১৯-তম গ্রেডে ৮ হাজার ৫০০ থেকে ২০ হাজার ৫৭০ টাকা বৃদ্ধি পেয়ে হবে ১২ হাজার ৭৫০ থেকে ৩০ হাজার ৮৫৫ টাকা। ২০-তম গ্রেডের ৮ হাজার ২৫০ থেকে ২০হাজার ১০ টাকায় বেড়ে দাড়াবে ১২ হাজার ৩৭৫ থেকে ৩০ হাজার ১৫ টাকা। 

 

নবম জাতীয় পে-স্কেলে বেসিকের ৫০% বৃদ্ধি পাওয়ার পর আপনার বেতন কত, বিস্তারিত তথ্য দেখুন

 


নবম জাতীয় পে-স্কেলে  বেসিকের ৫০% বৃদ্ধি পাওয়ার পর আপনার বেতন কত, বিস্তারিত তথ্য দেখুন

নবম জাতীয় পে-স্কেল নিয়ে এই ধরণের হিসাব ইদানিং সামাজি যোগাযোগ মাধ্যমে বেশ সাড়া ফেলেছে। সরকারি চাকুরিজীবীদের জন্য নতুন পে-স্কেলের ফিক্সেশন (বেতন নির্ধারণ) কেমন হতে পারে, তা জানার জন্য আগ্রহ সবারই রয়েছে।

তবে, মূল প্রশ্ন হলো, বেসিকের ৫০% বৃদ্ধি পাওয়ার পর বেতন কত হবে? - এটি সরাসরি এক কথায় নির্দিষ্ট করে বলা সম্ভব হবে তখনই যখন মূল বেসিক জানা থাকবে। কেননা, একেক সরকারি চাকুরিজীবীর গ্রেড ও কর্মবছর অনুযায়ী প্রত্যেকের বেতন গ্রেড ও অন্যান্য ভাতাদি আলাদা আলাদা।

সেক্ষেত্রে প্রতিজনের মূল বেসিকের সাথে ৫০% যোগ করুন, এই যোগফলই হবে আপনার নতুন প্রাপ্ত মূল বেসিক। আর বর্তমানে ভাতাদিসহ যা সর্বমোট যা টাকা পান সেগুলোর সবই ঠিক থাকবে, শুধুমাত্র তা থেকে মহার্ঘ ভাতাটি বিয়োগ বা সমন্বয় করলেই একদম সঠিক প্রাপ্ত সর্বমোট টাকার হিসেব করতে পারবেন। 

ফিক্সেশনের সাধারণ নিয়ম:

যদি সরকার কোনো ধাপে বেসিকের ৫০% বৃদ্ধি বা ১০০% বৃদ্ধির প্রস্তাব চূড়ান্ত করে, তবে নতুন মূল বেতন বের করার সময় সাধারণত বর্তমান (মূল বেতন)  + (৫০%) = নতুন মূল বেতন।

সর্বমোট ভাতাদি থেকে মহার্ঘ ভাতা বাদ দিয়ে সব ঠিক থাকবে আপাতত।

৯ম পে-স্কেল (প্রস্তাবিত) এর মূল হাইলাইটস কমিশনের পক্ষ থেকে যে খসড়া প্রস্তাবনা  বা সুপারিশ করা হয়েছে, তার প্রধান দিকগুলো নিচে তুলে ধরা হলো (যা গেজেট ‍প্রকাশের পর নিশ্চিত হওয়া যাবে):

  • গ্রেড সংখ্যা : ৮ম পে-স্কেলের মতো এবারও মোট ২০ টি গ্রেড বহাল রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে।
  • সর্বনিম্ন সর্বোচ্চ বেসিক: সর্বনিম্ন গ্রেডে অর্থাৎ ২০-তম গ্রেডের মূল বেতন ৮,২৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০,০০০ টাকা এবং সর্বোচ্চ গেডের অর্থাৎ ১ম গ্রেডের মূল বেতন এক লাখ ৬০ হাজারে উন্নীত করা হয়েছে।
  • অন্যান্য ভাত: মূল বেতনের পাশাপাশি বাড়ি ভাড়া, চিকিৎসা ভাতা এবং বিশেষ করে ১১-২০ গ্রেডের কর্মচারীদের টিভিন ভাতা উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধির প্রস্তাব রয়েছে।

জরুরী নোট: ইউটিউব বা ফেসবুকের ভিডিওগুলো মূলত সম্ভাব্য খসড়া ও পে-কমিশনের সুপারিশের ওপর ভিত্তি করে তৈরি। সরকারের পক্ষ থেকে বাজেট ও চূড়ান্ত গেজেট প্রকাশ না ওহয়া পর্যন্ত যেকোনো ফিক্সেশনের হিসাবই আনুমানিক। চূড়ান্ত হিসাবটি পেতে আমাদের সরকারি প্রজ্ঞাপন জারি হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।

আপনার বর্তমান গ্রেড এবং বেসিক জানা থাকলে একটি আনুমানিক ধারণা তৈরি করা সহজ হতে পারে। সরকারি চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের পর অনলাইন পে-ফিক্সেশন পোর্টালে আপনার জাতীয় পরিচয়পত্র ও ভেরিফিকেশন নম্বর দিয়ে খুব সহজেই একদম নিখুঁত হিসাবটি দেখে নিতে পারেন।

৯ম পে স্কেল ফিক্সেশন করার নিয়ম, বার্ষিক ইনক্রিমেন্ট যোগ করার নিয়ম ।



৯ম পে স্কেল ফিক্সেশন করার নিয়ম, বার্ষিক ইনক্রিমেন্ট যোগ করার নিয়ম ।

বাংলাদেশে সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য সর্বশেষ (৮ম) পে স্কেল ২০১৫ সালে ঘোষণা করা হয়েছিল। বর্তমানে ৯ম পে স্কেল এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে সরকার কর্তৃক ঘোষণা বা চালু করা হয়নি।

তবে সরকারি নিয়ম অনুযায়ী, যখনই কোনো নতুন পে স্কেল বা বেতন কাঠামো ঘোষণা করা হয়, তখন ফিক্সেশন বা বেতন নির্ধারণের একটি নির্দিষ্ট আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়। পূর্ববর্তী পে স্কেলগুলোর (বিশেষ করে ২০১৫ সালের ৮ম পে স্কেলের) আলোকেই সাধারণত পরবর্তী স্কেলের ফিক্সেশন নীতি নির্ধারিত হয়ে থাকে।

সাধারণত যে নিয়মগুলোর ভিত্তিতে নতুন পে স্কেলের ফিক্সেশন করা হয়, তা নিচে দেওয়া হলো:

১. মূল বেতন নির্ধারণের সাধারণ সূত্র

নতুন পে স্কেল বাস্তবায়নের তারিখের ঠিক আগের দিন একজন কর্মচারী যে মূল বেতন (Basic Pay) পাচ্ছিলেন, সেটিকে ভিত্তি ধরা হয়।

  • নতুন পে স্কেলের সংশ্লিষ্ট গ্রেডে যদি ওই সমপরিমাণ টাকার কোনো ধাপ (Stage) থাকে, তবে সেই ধাপে তার বেতন ফিক্সড হবে।

  • যদি আগের বেতনের সমপরিমাণ কোনো ধাপ নতুন স্কেলে না থাকে, তবে তার ঠিক পরবর্তী উচ্চতর ধাপে (Immediate Higher Stage) বেতন নির্ধারণ করা হবে।

২. ইনক্রিমেন্ট বা বার্ষিক বেতন বৃদ্ধি

নতুন পে স্কেল প্রদানের সময় সরকারি নিয়ম অনুযায়ী কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পূর্ববর্তী স্কেলের অর্জিত ইনক্রিমেন্টগুলো হিসাব করা হয়। এছাড়া নতুন কাঠামোতে সাধারণত সবার জন্য একটি নির্দিষ্ট তারিখে (যেমন: বর্তমানে ১লাই জুলাই) বার্ষিক ইনক্রিমেন্ট যোগ করার নিয়ম কার্যকর থাকে।

৩. উচ্চতর গ্রেড এবং টাইমস্কেল/সিলেকশন গ্রেড

যদি কোনো কর্মচারী নতুন পে স্কেল কার্যকর হওয়ার আগেই উচ্চতর গ্রেড, টাইমস্কেল বা সিলেকশন গ্রেড পাওয়ার যোগ্য হন এবং সেটি পেয়ে থাকেন, তবে ফিক্সেশনের সময় ওই উচ্চতর গ্রেডের স্কেলকে ভিত্তি ধরে নতুন বেতন নির্ধারিত হবে।

৪. অনলাইন পে-ফিক্সেশন (Online Pay Fixation)

বর্তমানে ফিক্সেশনের পুরো প্রক্রিয়াটি ডিজিটাল বা অনলাইনে সম্পন্ন হয়। ৯ম পে স্কেল বাস্তবায়িত হলে কর্মচারীদের iBAS++ বা নির্ধারিত সরকারি পে-ফিক্সেশন পোর্টালে গিয়ে নিম্নলিখিত তথ্যগুলো দিয়ে ফিক্সেশন করতে হবে:

  • জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) নম্বর।

  • ভেরিফাইড মোবাইল নম্বর।

  • বর্তমান পদের গ্রেড ও মূল বেতন।

গুরুত্বপূর্ণ নোট: যেহেতু ৯ম পে স্কেল এখনো চূড়ান্ত বা কার্যকর হয়নি, তাই এর সুনির্দিষ্ট প্রজ্ঞাপন বা গ্যাজেট প্রকাশের পরই ফিক্সেশনের চূড়ান্ত নিয়ম ও টেবিল (Fixation Table) জানা যাবে। সরকার নতুন পে স্কেল ঘোষণার পর অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত বিস্তারিত নির্দেশিকা জারি করবে।

বাংলাদেশ সরকারের সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য বহুল প্রতীক্ষিত ৯ম পে স্কেল (জাতীয় বেতন স্কেল ২০২৬) ১ জুলাই ২০২৬ থেকে ধাপে ধাপে বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

নতুন পে স্কেল ঘোষণার পর সরকারি নিয়ম অনুযায়ী যেভাবে বেতন নির্ধারণ (Fixation) এবং বার্ষিক ইনক্রিমেন্ট (Annual Increment) যোগ করা হয়, তার বিস্তারিত নিয়ম নিচে দেওয়া হলো:

১. ৯ম পে স্কেলে পে ফিক্সেশন (Pay Fixation) বা বেতন নির্ধারণের নিয়ম

নতুন পে স্কেল জারি হওয়ার পর প্রতিটি কর্মচারীর বর্তমান মূল বেতনকে (Basic Salary) নতুন স্কেলের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ করা হয়। এই প্রক্রিয়াটি সাধারণত iBAS++ সফটওয়্যারের মাধ্যমে অনলাইন পে-ফিক্সেশনের মাধ্যমে স্বয়ংক্রিয়ভাবে করা হয়ে থাকে। এর মূল নিয়মগুলো হলো:

  • ইনক্রিমেন্ট ফ্যাক্টর ও নিকটতম উচ্চতর ধাপ (Nearest Higher Stage): নতুন স্কেল কার্যকর হওয়ার তারিখে একজন কর্মচারী যে মূল বেতন পাচ্ছিলেন, নতুন স্কেলের সংশ্লিষ্ট গ্রেডে তার সমপরিমাণ টাকা বা তার চেয়ে ঠিক পরবর্তী উচ্চতর ধাপে তার মূল বেতন নির্ধারণ করা হয়। নতুন স্কেলে কারও বেতন আগের চেয়ে কমবে না।

  • ধাপভিত্তিক বাস্তবায়ন (Phase-wise Implementation): ২০২৬ সালের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এবার পুরো আর্থিক সুবিধা একসঙ্গে না দিয়ে ৩টি ধাপে দেওয়া হবে:

    1. ১ম বছর (১ জুলাই ২০২৬ থেকে): নতুন স্কেলের বর্ধিত মূল বেতনের (Basic) ৫০% কার্যকর হবে।

    2. ২য় বছর (১ জুলাই ২০২৭ থেকে): নতুন স্কেলের পূর্ণ ১০০% মূল বেতন দেওয়া শুরু হবে।

    3. ৩য় বছর (১ জুলাই ২০২৮ থেকে): নতুন স্কেল অনুযায়ী বাড়িভাড়া, চিকিৎসা এবং অন্যান্য সব ভাতা পূর্ণাঙ্গভাবে সমন্বয় করা হবে।

২. বার্ষিক ইনক্রিমেন্ট যোগ করার নিয়ম

৮ম পে স্কেল (২০১৫) থেকে শুরু হওয়া চক্রবৃদ্ধি (Compound Rate) হারে ইনক্রিমেন্ট দেওয়ার নিয়মটি ৯ম পে স্কেলেও বহাল রাখা হচ্ছে। নিয়মগুলো নিম্নরূপ:

  • ফিক্সড তারিখ (১লা জুলাই): আগে চাকরিতে যোগদানের তারিখ অনুযায়ী ভিন্ন ভিন্ন সময়ে ইনক্রিমেন্ট হতো। তবে বর্তমান নিয়ম অনুযায়ী সকল সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীর বার্ষিক ইনক্রিমেন্ট প্রতি বছর ১লা জুলাই একসাথে যোগ হয়।

  • শতকরা (Percentage) হার: গ্রেডভেদে সাধারণত মূল বেতনের ৫% (বা স্কেলের নির্ধারিত হার) হারে চক্রবৃদ্ধি পদ্ধতিতে ইনক্রিমেন্ট যোগ হয়।

  • হিসাবের নিয়ম:

    • চলতি বছরের ৩০শে জুনে আপনার যে মূল বেতন (Basic) থাকবে, তার ওপর নির্দিষ্ট হারে ইনক্রিমেন্ট হিসাব করা হবে।

    • ইনক্রিমেন্টের টাকা যোগ করার পর যে নতুন অ্যামাউন্ট আসবে, তা যদি ওই গ্রেডের কোনো নির্দিষ্ট ধাপের (Step) সাথে সরাসরি মিলে যায়, তবে সেটাই হবে নতুন মূল বেতন।

    • যদি সরাসরি না মিলে, তবে তার পরবর্তী উচ্চতর ধাপে (Next Higher Stage) বেতন ফিক্সড হবে।

বিশেষ দ্রষ্টব্য: যেহেতু ৯ম পে স্কেলটি ২০২৬ সালের ১ জুলাই থেকে আংশিকভাবে (মূল বেতনের বর্ধিত অংশের ৫০%) মাঠপর্যায়ে কার্যকর হওয়া শুরু হচ্ছে, তাই চূড়ান্ত সরকারি প্রজ্ঞাপন বা গেজেট (Official Gazette Notification) প্রকাশের পর অর্থ মন্ত্রণালয়ের পরিপত্র অনুযায়ী ফিক্সেশনের পুঙ্খানুপুঙ্খ গাণিতিক সূত্র আইবাস (iBAS++) সিস্টেমে যুক্ত করে দেওয়া হবে। 

আগামীকাল নবম পে-স্কেল নিয়ে সচিব কমিটির যে মিটিং রয়েছে সে মিটিংয়ের বিস্তারিত আলোচনা

 


আগামীকাল ২১ মে, ২০২৬ (বৃহস্পতিবার) মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গণির নেতৃত্বে গঠিত উচ্চপর্যায়ের ‘সচিব পর্যালোচনা কমিটি’র যে বৈঠকটি হতে যাচ্ছে, তা নবম পে-স্কেল বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অর্থ মন্ত্রণালয় ও সরকারি সূত্রগুলোর সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর নীতিগত গ্রিন সিগন্যালের পর এই বৈঠকে মূলত বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া চূড়ান্ত করার সিদ্ধান্ত আসতে পারে।

অর্থনৈতিক চাপ সামলে কীভাবে এটি কার্যকর করা হবে, তা নিয়ে এই মিটিংয়ে যে সম্ভাব্য সিদ্ধান্তগুলো চূড়ান্ত হতে পারে, তা নিচে দেওয়া হলো:

১. ৩টি ধাপে বাস্তবায়ন পরিকল্পনা চূড়ান্তকরণ

অর্থনীতির ওপর যেন একবারে বিশাল চাপ না পড়ে, সেজন্য জাকির আহমেদ খান কমিশনের মূল সুপারিশগুলো হুবহু একবারে না দিয়ে ৩টি অর্থবছর জুড়ে ধাপে ধাপে বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হতে পারে।

  • প্রথম ধাপ (২০২৬-২৭ অর্থবছর): নতুন নির্ধারিত মূল বেতনের (Basic Pay) ৫০ শতাংশ অংশ আগামী ১ জুলাই থেকে দেওয়া শুরু হবে।

  • দ্বিতীয় ধাপ (২০২৭-২৮ অর্থবছর): মূল বেতনের বাকি ৫০ শতাংশ কার্যকর করা হবে।

  • তৃতীয় ধাপ (২০২৮-২৯ অর্থবছর): বাড়িভাড়া, চিকিৎসা, যাতায়াত, উৎসব ও বৈশাখী ভাতাসহ অন্যান্য আনুষঙ্গিক আর্থিক সুবিধা পূর্ণাঙ্গভাবে যুক্ত হবে।

২. আগামী বাজেটে (২০২৬-২৭) বড় অঙ্কের বরাদ্দ অনুমোদন

আসন্ন বাজেটে নতুন পে-স্কেলের প্রথম ধাপের জন্য প্রায় ৩০ থেকে ৩৭ হাজার কোটি টাকার বিশেষ বরাদ্দ রাখার প্রস্তাব এই বৈঠকে চূড়ান্ত রূপ পাবে। সরকারি হিসাব অনুযায়ী, কমিশনের পূর্ণাঙ্গ প্রস্তাব একবারে দিতে গেলে ৪৩ হাজার কোটি টাকার বেশি প্রয়োজন হতো, তবে এটি ধাপে ধাপে করার কারণে ব্যয়ের চাপ কিছুটা কমছে।

৩. ১০% মহার্ঘ ভাতা সমন্বয়

বর্তমানে সরকারি চাকরিজীবীরা যে ১০ শতাংশ মহার্ঘ ভাতা পাচ্ছেন, তা নতুন পে-স্কেলের মূল বেতনের সাথে পুরোপুরি সমন্বয় বা অ্যাডজাস্ট করার আইনি ও আর্থিক রূপরেখা এই বৈঠকে পাস হতে পারে।

৪. ভাতা ও উচ্চপদস্থদের কিছু সুবিধায় কাটছাঁট

জাকির আহমেদ খান কমিশন অনেক সুযোগ-সুবিধা বড় পরিসরে বাড়ানোর প্রস্তাব দিলেও সচিব কমিটি দেশের সার্বিক রাজস্ব পরিস্থিতি বিবেচনা করে বেশ কিছু জায়গায় কাটছাঁট করতে পারে। বিশেষ করে:

  • উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের জন্য গাড়ি সুবিধা, মালি, বাবুর্চি বা অতিরিক্ত বিশেষ ভাতার প্রস্তাবগুলো বড় আকারে না বাড়িয়ে বিদ্যমান কাঠামোর কাছাকাছি রাখা হতে পারে।

  • তবে নিম্ন গ্রেডের (১১ থেকে ২০তম গ্রেড) জন্য যাতায়াত ও অন্যান্য মৌলিক সুবিধা বাড়ানো হচ্ছে।

৫. মূল বেতন এবং পেনশনের নতুন হার অনুমোদন

বৈঠকে কমিশনের মূল সুপারিশ অনুযায়ী বেতন ও পেনশনের এই কাঠামোটি চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য সুপারিশ করা হতে পারে:

  • সর্বনিম্ন মূল বেতন (২০তম গ্রেড): ৮,২৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০,০০০ টাকা করা।

  • সর্বোচ্চ মূল বেতন (১ম গ্রেড): ৭৮,০০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১,৬০,০০০ টাকা করা।

  • পেনশনভোগীদের সুবিধা: ২০ হাজার টাকার কম পেনশন পাওয়া ব্যক্তিদের প্রায় ১০০% এবং অন্যদের স্তরভেদে ৫৫% থেকে ৭৫% পর্যন্ত পেনশন বৃদ্ধির প্রস্তাব চূড়ান্ত করা।

সংক্ষেপে: আগামীকালের বৈঠক শেষে সচিব কমিটি নতুন পে-স্কেল আগামী ১ জুলাই, ২০২৬ থেকে কার্যকর করার জন্য তাদের চূড়ান্ত সুপারিশ এবং ফ্রেমওয়ার্ক সরকারের শীর্ষ মহলে পাঠাবে, যা আসন্ন বাজেটে আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হবে।


গ্রেড নম্বরবর্তমান মূল বেতন (২০১৫ সালের স্কেল)প্রস্তাবিত নতুন মূল বেতন (২০২৬)বেতন বৃদ্ধির আনুমানিক হার
১ম গ্রেড৭৮,০০০ টাকা (নির্ধারিত)১,৬০,০০০ টাকা (নির্ধারিত)১০৫%
২য় গ্রেড৬৬,০০০ - ৭৬,৪৯০ টাকা১,৩৫,০০০ টাকা১০৪%
৩য় গ্রেড৫৬,৫০০ - ৭৪,৪০০ টাকা১,১৫,০০০ টাকা১০৩%
৪র্থ গ্রেড৫০,০০০ - ৭১,২০০ টাকা১,০২,০০০ টাকা১০৪%
৫ম গ্রেড৪৩,০০০ - ৬৯,৮৫০ টাকা৮৮,০০০ টাকা১০৪%
৬ষ্ঠ গ্রেড৩৫,৫০০ - ৬৭,০১০ টাকা৭৩,০০০ টাকা১০৫%
৭ম গ্রেড২৯,০০০ - ৬৩,৪১০ টাকা৬০,০০০ টাকা১০৭%
৮ম গ্রেড২৩,০০০ - ৫৫,৪৭০ টাকা৪৮,০০০ টাকা১০৮%
৯ম গ্রেড২২,০০০ - ৫৩,০৬০ টাকা৪৬,০০০ টাকা১০৯%
১০ম গ্রেড১৬,০০০ - ৩৮,৬৪০ টাকা৩৪,০০০ টাকা১১২%
১১তম গ্রেড১২,৫০০ - ৩০,২৩০ টাকা২৭,০০০ টাকা১১৬%
১২তম গ্রেড১১,৩০০ - ২৭,৩০০ টাকা২৫,০০০ টাকা১২১%
১৩তম গ্রেড১১,০০০ - ২৬,৫৯০ টাকা২৪,৫০০ টাকা১২২%
১৪তম গ্রেড১০,২০০ - ২৪,৬৮০ টাকা২৩,০০০ টাকা১২৫%
১৫তম গ্রেড৯,৭০০ - ২৩,৪৯০ টাকা২২,০০০ টাকা১২৬%
১৬তম গ্রেড৯,৩০০ - ২২,৪৯০ টাকা২১,৫০০ টাকা১৩১%
১৭তম গ্রেড৯,০০০ - ২১,৮০০ টাকা২১,০০০ টাকা১৩৩%
১৮তম গ্রেড৮,৮০০ - ২১,৩১০ টাকা২০,৭০০ টাকা১৩৫%
১৯তম গ্রেড৮,৫০০ - ২০,৫৭০ টাকা২০,৩০০ টাকা১৩৮%
২০তম গ্রেড৮,২৫০ - ২০,০১০ টাকা২০,০০০ টাকা১৪২%

তালিকার গুরুত্বপূর্ণ কিছু দিক:

  • নিম্ন গ্রেডগুলোতে বেশি নজর: ২০১৫ সালের পে-স্কেলের তুলনায় এবার ২০তম গ্রেডের কর্মচারীদের বেতন সবচেয়ে বেশি অর্থাৎ প্রায় ১৪২% বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে, যাতে নিম্ন আয়ের কর্মচারীরা মূল্যস্ফীতির বাজারে টিকে থাকতে পারেন।

  • সিনিয়র সচিব ও মন্ত্রিপরিষদ সচিবদের বেতন: ১ম গ্রেডের ওপরে থাকা সিনিয়র সচিব এবং মন্ত্রিপরিষদ সচিব/প্রধান সচিবদের জন্য বিশেষ স্কেল হিসেবে যথাক্রমে ১,৭৫,০০০ টাকা এবং ১,৯০,০০০ টাকা (নির্ধারিত) মূল বেতনের সুপারিশ করা হয়েছে।

  • ধাপে ধাপে প্রাপ্তি: আগামীকাল সচিব কমিটির বৈঠকে এই বেতন কাঠামো অনুমোদন পেলেও, আগামী ১ জুলাই থেকে কর্মচারীরা এই নতুন স্কেলের ৫০ শতাংশ হারে মূল বেতন পাওয়া শুরু করবেন এবং পরবর্তী অর্থবছরগুলোতে বাকিটা যোগ হবে।