আগামী অর্থ বছরে ২০২৬-২০২৭ থেকে নবম পে-স্কেল বাস্তবায়নের প্রস্তাব রয়েছে,
There is a proposal to implement the ninth pay scale from the next financial year 2026-2027 .
বেতন বাড়ছে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের Salares of government officials and employees are increasing !!! সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য ঘোষিত নতুন বেতন কমিশন বাস্তবায়নের জন্য তড়িঘড়ি করছে সরকার। বিএনপি সরকার নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী কৃষির্ ঋণ মওকুফ, ফ্যামিলি কার্ড, ইমাম মুয়াজ্জিনদের সম্মানী প্রদানসহ মাসিক ভিত্তিতে প্রতিনিয়ত আইবাসে দেওয়ার ব্যবস্থা এবং খাল খননসহ ইতোমধ্যেই পাঁচটি কর্মসুচি বাস্তবায়ন করেছে।
চলতি অর্থবছরে নতুন পে কমিশন বাস্তবায়ন জুলাই ২০২৬ সালের এর মধ্যেই Implementation of the new pay commission in the current fiscal year by July 2026। অন্তর্বর্তী সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী নতুন জাতীয় বেতন কমিশন বাস্তবায়নের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে চলতি ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরের বাজেটে বেতন-ভাতা খাতে প্রায় ৪০ হাজার কোটি টাকা আলাদা করে রাখা হয়। চলতি ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরের বাজেটে পে-স্কেল প্রদানের জন্য সরকার প্রতিটি দপ্তর-পরিদপ্তর থেকেই বাৎসরিক ব্যয় হতে অর্থ পুনরায় উত্তোলন করেছে পে-স্কেলের বরাদ্দের জন্য। অর্থাৎ, প্রদানের জন্য পে-স্কেল খাতে ৪০ হাজার কোটি টাকা জমা রয়েছে।
তাই নিশ্চিত করে বলা যায় জুলাই থেকেই সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পে=স্কেল প্রদান করা হতে পারে। নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী নবম পে-স্কেল বাস্তবায়নে খুব শিগগিরই প্রধানমন্ত্রী বৈঠকে বসবেন বলে আশা করা যায়। সরকারি কর্মকর্তাদের নতুন বেতন কাঠামো অর্থাৎ নবম পে-স্কেল নিয়ে সরকার ইতিবাচক অবস্থানে রয়েছেন বলে জানালেও বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতি ও বৈশ্বিক অস্থিরতার কারণে এটি বাস্তবায়ন করতে কিছুটা বিলম্ব হচ্ছে।
তবে, জানা গেছে নবম পে-স্কেল কার্যকর করার বিষয়ে সরকারের নীতিগত সমর্থন রয়েছে। নবম জাতীয় পে-স্কেল এর সিদ্ধান্ত নেওয়ার দিকে ঝুঁকছে সরকার।এদিকে, পে-স্কেল সংক্রান্ত প্রস্তাব পুনরায় পর্যালোচনার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।
জানা গেছে বিষয়টি নিয়ে জাতীয় সংসদে আসন্ন অধিবেশনে আলোচনা হতে পারে। ইতোমধ্যে সংসদের কার্যপ্রণালি প্রণয়নের প্রস্তুতিও চলছে। অর্থ বিভাগের কর্মকর্তারা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়নের আশ্বাস দেওয়ায সরকারি চাকুরিজীবীদের জন্য বেতনকাঠামোটি ধাপে ধাপে হলেও কার্যকর করা হতে পারে।
তবে, আর্থিক সীমাবদ্ধতার কারণে কমিশনের সব সুপারিশ একসঙ্গে বাস্তবায়ন করা না ও হতে পারে। তাই সময় নিয়ে সঠিক পরিকল্পনা নিয়ে এগোতে চায় সরকার।
মঙ্গলবার (১০ই মার্চ) সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন পে কমিশনের প্রধান জাকির আহমেদ খান।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছেন, সরকারি সূচিতে পে-কমিশনের প্রতিবেদন ও সুপারিশ নিয়ে আলোচনা হয়েছে।
বর্তমানে আর্থিক অবস্থায় যেখানে বাংলাদেশের ট্যাক্স, রেভিনিউ. ট্যাক্স জিডিপি উত্তোলনও এ পে-স্কেল বাস্তবায়নে প্রভাব ফেলবে।
অর্থ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, আগামী অর্থ বছরে ২০২৬-২০২৭ থেকে নবম পে-স্কেল বাস্তবায়নের প্রস্তাব রয়েছে There is a proposal to implement the ninth pay scale from the next financial year 2026-2027 . নতুন বাজেট প্রণয়ণের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হলে নবম পে-স্কেলের বিষয় অবশ্যই আলোচনার কেন্দ্র বিন্দুতে থাকবে। সরকার দেশের আর্থ-সামাজিক অবস্থা, বাজারদর ও মূল্যস্ফীতির বিষয় বিবেচনায় নিয়ে নবম পে-স্কেল বাস্তবায়ন করবে।
