নবম পে-স্কেলে ভবিষ্যৎ নিয়ে নিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে
The future is assured in the ninth pay scale
নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়নে সরকার দুটি বিকল্প পদ্ধতি পর্যালোচনা করছে। অর্থমন্ত্রণালয় ইতোমধ্যে প্রস্তাবিত বাজেটের একটি খসড়া প্রস্তুত করেছে। একটি তিন বছরের পরিকল্পনা, অন্যটি পরবর্তী দুই অর্থবছরে ধাপে ধাপে পে-স্কেল pay scale বাস্তবায়ন করা। যা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের পর চূড়ান্ত করা হবে।
নবম পে-স্কেল pay scale বাস্তবায়ন করতে সরকারের অতিরিক্ত প্রায় এক লাখ ছয় হাজার কোটি টাকা প্রয়োজন হবে। এর মধ্যে ৮০ হাজার কোটি টাকা ব্যয় হবে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য আর বাকি অংশ পেনশনভোগী ও এমপিওভুক্ত শিক্ষক কর্মচারীদের জন্য।
মূল্যস্ফীতি ও সরকারের আর্থিক ক্ষমতা বিবেচনায় প্রস্তাবগুলো পর্যালোচনার জন্য মন্ত্রীপরিষদ সচিবের নেতৃন্তে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। অর্থমন্ত্রণালয় ইতোমধ্যে যে খসড়া প্রস্তুত করেছে তা প্রধানমন্ত্রীল সঙ্গে বৈঠক শেষে চূড়ান্ত করে গেজেট আকারে প্রকাশ করা হবে। এখন পর্যন্ত পাওয়া সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী পয়লা জুলাই থেকে নবম জাতীয় পে-স্কেল pay scale বাস্তবায়ন হতে পারে।
২০১৫ সালের পর দীর্ঘ ১১ বছর পার হলেও নতুন কোনও পে-স্কেল pay scale ঘোষণা না হলে সরকারি চাকরিজীবীদের চরম ক্ষোভ দ্রব্যমূল্য আর জীবনযাত্রার ব্যয়ের চাপে পৃষ্ট দেশের প্রায় ২২ লক্ষ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীগণ।
দেশের ২০ কোটি মানুষের সেবা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দিনরাত কাজ করে যাচ্ছে মাত্র ২২ লক্ষ জনবল। প্রশাসনের উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তা থেকে শুরু করে মাঠ পর্যায়ের পরিচ্ছন্নতাকর্মীসহ সরকারী কর্মজীবীদের প্রত্যেকেই রাষ্ট্রর চাকা সচল রাখছে। অথচ গত প্রায় এক যুগে নিত্যপণ্যের দাম কয়েকগুণ বাড়লেও বেতন বাড়েনি এক পয়সাও।
সরকারি চাকুরিজীবীদের প্রশ্ন, গত ১১-১২ বছরে দ্রব্যমূল্য কয়েকগুণ বাড়লেও কেনো কর্মচারীদের বেতন বাড়লো না?
প্রথম আলো পত্রিকার প্রতিবেদন অনুযায়ী আগামী অর্থবছরে দওেয়া হতে পারে মূল বেতনের ৫০ শতাংশ। পরের বছরে বাকি ৫০ শতাংশ। তার পরের বছরে ভাতাদি প্রদান করা হতে পারে। তার মানে সরকারি চাকরিজীবীদের তিন ধাপে সরকারি কর্মচারীদের বেতন বাস্তবায়ন হতে পারে।
সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য নতুন বেতন কাঠামোর আংশিক বাস্তবায়ন শুরু হতে পারে আগামী ২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম দিন পহেলা জুলাই থেকে নতুন করে নবম পে-স্কেলের ফিক্সেশন করে নতুন বেতন যোগ করতে হবে।
- তৃতীয় ধাপে বাড়তি এক লাখ ছয় হাজার কোটি টাকা ব্যয়ের প্রস্তাব
- সর্বনিম্ন বেতন ২০ হাজার, সর্বোচ্চ বেতন এক লাখ ৬০ হাজার,
- বেতন ভাতা ও পেনশনে বরাদ্দ বাড়ছে ৩৫ হাজার কোটি টাকা।
- আসন্ন বাজেটে নতুন পে-স্কেলের জন্য সুনির্দিষ্ট বরাদ্দ রাখা। জীবনযাত্রার ব্যয়ের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ রেখে প্রতি পাঁচ বছর অন্তর বেতনকাঠামো সংস্কার।
- নিম্ন ও মধ্যম আয়ের কর্মচারীদের জন্য সম্মানজনক নূন্যতম বেতন নির্ধারণ।
