কৃষক কার্ড পাওয়ার উপায় কি? কিভাবে কৃষক কার্ড পাওয়া যাবে,কৃষক কার্ড পাওয়ার নিয়ম।
What are the ways to get a farmer card? How to get farmer card, rules for getting a farmer card.
আগামী ১৪ই এপ্রিল ২০২৬ইং তারিখে প্রধানমন্ত্রী Prime Minister তারেক রহমান কৃষক কার্ড চালু Farmer card launched কর্মসুচির উদ্বোধন করবেন। প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা ডাক্তার রাশেদ আল মাহমুদ বলেছেন, আমাদের দেশ কৃষিনির্ভর এবং কৃষকদের বর্ষপঞ্জি বাংলা মাসের সঙ্গে গভীরভাবে সম্পৃক্ত। তাই বাংলা নববর্ষের দিন অর্থাৎ পহেলা বৈশাখে কৃষক কার্ড Farmer card উদ্বোধনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যা কৃষকদের মর্যাদা ও সক্ষমতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। কৃষক কার্ড Farmer card দেশের প্রতিটি কৃষকের ন্যায্য অধিকার, মর্যাদা ও নিরাপত্তার প্রতীক। কৃষক কার্ডের Farmer card মাধ্যমে কৃষকের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার ও সম্মান বৃদ্ধি পাবে।
অনুদান হিসেবে গড়ে ২,৫০০ টাকা /কৃষি উপকরণ সহায়তা পাবেন।
অনুদান হিসেবে কৃষক কার্ডের মাধ্যমে সুলভ মূল্যে কৃষি যন্ত্রপাতি প্রাপ্তি, ন্যায্যমূল্যে সেচ সুবিধা, সহজ শর্তে কৃষি ঋণ, কৃষি বীমার সুবিধা, ন্যায্যমুল্যে কৃষিপণ্য বিক্রির সুযোগ, কৃষি প্রশিক্ষণ, ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে আবহাওয়া ও বাজার সম্পর্কিত তথ্য প্রাপ্তি এবং ফসলের রোগ ও কীটপতঙ্গ নিয়ন্ত্রণ বিষয়ে পরামর্শ।
কৃষক কার্ড পেতে কি কি লাগবে।What is required to get farmer's card?
কৃষক কার্ড পেতে কি কি লাগবে? rules for getting a farmer card.
বাংলাদেশ কৃষক কার্ড বা কৃষি উপকরণ সহায়তা কার্ড পেতে হলে ইউনিয়ন ভূমি অফিস, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর ওয়েবসাইটের মাধ্যমে আবেদন করতে হবে।
আবেদনকারীকে জাতীয় পরিচয়পত্র ছবি ও স্থানীয় প্রতিনিধির ই্উপি সদস্য বা প্রত্যয়ণপত্র দিয়ে আবেদন করতে হবে। কৃষক কার্ড পেতে আবেদনকারীর এনআইডি, পাসপোর্টের সাইজের ছবি, সচল মোবাইল নম্বর, জমির মালিকানা দলিল বা প্রমাণপত্র প্রযোজ্য ক্ষেত্রে এবং ই্উনিয় পর্যায়ে উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তার মাধ্যমে তালিকাভুক্ত হতে হবে। এটি একটি ডিজিটাল কার্ড যা দিয়ে সরাসরি কৃষকগণ ভর্তুকি ঋণ, সার, বীজসহ বিভিন্ন সরকারি সেবা পাবেন।
কৃষক কার্ড পাওয়ার উপায় কি?What are the ways to get a farmer card?
কিভাবে কৃষক কার্ড পাওয়া যাবে? How to get farmer card,
১। যোগাযোগঃ নিজ ইউনিয়নের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তার সাথে যোগাযোগ করে তালিকায় নাম অন্তর্ভূক্ত করুন।
২। যাচাইকরণঃ কৃষি অফিস আবেদনকারীর তথ্য সরেজমিনে যাচাই করবে।
৩। কার্ড গ্রহণঃ যাচাই শেষে উপজেলা কৃষি অফিস থেকে স্মার্ট কার্ড প্রদান করা হবে।
৪। সুবিধাঃ এই কার্ডের মাধ্যমে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকরা বছরে প্রায় ২,৫০০ টাকার উপকরণ সহায়তা এবং ১০,০০০ টাকা পর্যন্ত ঋণ মওকুফ সুবিধাসহ বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা ভোগ করতে পারেন।
এই কার্ডের মাধ্যমে পর্যায়ক্রমে কৃষকদের কাছে বিভিন্ন সেবা পৌঁছে দেওয়া হবে। কৃষক কার্ডের Farmer card মাধ্যমে বিভিন্ন সেবা পরিষেবাগুলোর মধ্যে রয়েছে ন্যায্যমূল্যে কৃষি উপকরণ, সরকারি ভর্তুকি ও প্রণোদনা, সুলভ মূল্যে কৃষি যন্ত্রপাতি প্রাপ্তি, ন্যায্যমূল্যে সেচ সুবিধা, সহজ শর্তে কৃষি ঋণ, কৃষি বীমার সুবিধা, ন্যায্যমুল্যে কৃষিপণ্য বিক্রির সুযোগ, কৃষি প্রশিক্ষণ, ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে আবহাওয়া ও বাজার সম্পর্কিত তথ্য প্রাপ্তি এবং ফসলের রোগ ও কীটপতঙ্গ নিয়ন্ত্রণ বিষয়ে পরামর্শ।
কৃষক কার্ড Farmer card কর্মসূচির প্রাক-পরীক্ষামূলক পর্যায়ে আগামী ৪৫ দিনের মধ্যে দেশের আটটি বিভাগের নয়টি উপজেলার নয়টি ব্লকে সব শ্রেণির কৃষকের তথ্য সংগ্রহ করে কৃষক কার্ড বিতরণ করা হবে,
কৃষক কার্ড বিতরণ করা হবে প্রস্তাবিত উপজেলাগুলো হলো বিভাগের নয়টি উপজেলার - টাঙ্গাইল সদর, বগুড়ার শিবগঞ্জ, পঞ্চগড় সদর, জামালপুরের ইসলামপুর, ঝিনাইদহের শৈলকুপা, পিরোজপুরের নেছারাবাদ, মৌলভীবাজারের জুড়ী ও কুমিল্লা সদরসহ কক্সবাজারের টেকনাফ।
এর মধ্যে নির্দিষ্ট শ্রেণির কৃষদের খরিফ-১ ও খরিফ-২ মৌসুমে ফসল উৎপাদনের জন্য সরকার নির্ধারিত হারে আর্থিক অনুদান ও দেওয়া হবে।
কৃষি মন্ত্রণালয়ের অধীন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর (ডিএই) বাস্তবায়ন করবে কর্মসুচির আওতায় প্রত্যেক ভূমিহীন, প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র কৃষক আর্থিক অনুদান হিসেবে গড়ে ২,৫০০ টাকা ভর্তুকি/কৃষি উপকরণ সহায়তা পাবেন।
প্রি-পাইলট, ও পাইলট পর্যায় শেষে আগামী চার বছরের মধ্যে দেশের সব উপজেলায় কৃষক কার্ডে Farmer card কর্মসুচি বাস্তবায়ন করা হবে।
