বেতন ফিক্সেশন পদ্ধতি ২০২৬ নবম পে-স্কেলের বর্তমান মূল বেতনের সাথে (সম্ভাব্য একটি নির্দিষ্ট গুণক)



বেতন ফিক্সেশন পদ্ধতি ২০২৬ নবম পে-স্কেলের বর্তমান মূল বেতনের সাথে (সম্ভাব্য) একটি নির্দিষ্ট গুণক

২০২৬ সালে প্রস্তাবিত নবম পে-স্কেলের pay scale বেতন ফিক্সেশন সাধারণত বর্তমান মূল বেতনের সাথে একটি নির্দিষ্ট গুণক (সম্ভাব্য) ২.৫৭ বা ১.৫ গুণ করে অথবা নতুন স্কেলের গ্রেড ভিত্তিক ধাপ অনুযায়ী করা হবে। এটি সাধারণত আইবাস++ (IBAS++) পোর্টালে অনলাইনে ফরম পূরণের মাধ্যমে সম্পন্ন করতে হবে। 

ফিক্সেশন করার নিয়মঃ 

বেসিক ইনক্রিমেন্ট পদ্ধতিঃ আপনার বর্তমান মূল বেতনের সাথে যোগ হবে এবং নতুন স্কেলের সমমানের ধাপ বা পরবর্তী উচ্চতর ধাপে ফিক্সড হবে।

ফিটম্যান ফ্যাক্টরঃ বর্তমান মূল বেতনের সাথে ২.৫৭ বা সরকার নির্ধারিত গুণক গুণ করে নতুন মূল বেতন বের করা হতে পারে। 

পার্থক্য যোগ করার পদ্ধতিঃ নতুন স্কেলের শুরুর বেতনের সাথে বর্তমান স্কেলের ধাপের পার্থক্য যোগ করে ফিক্সেশন যোগ করা হতে পারে।

ফিক্সেশনের ধাপসমূহঃ (IBAS++) আইবাস++ পো্র্টালে লগইন, অফিস থেকে প্রাপ্ত ইউজার আইডি ও পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে আইবাস++ এ লগইন করুনঃ 

নতুন ফিক্সেশন নির্বাচন করুনঃ Employ menu থেকে ফিক্সেশন তারপর New Structure  বা 9th pay scale অপশন এ যান

তথ্য ইনপুটঃ বর্তমান গ্রেড, বর্তমান মূল বেতন এবং ইনক্রিমেন্টের তারিখ সঠিকভাবে ইনপুট দিন।

সাবমিট ও যাচাইঃ তথ্যসমূহ স্বয়ংক্রিয়ভাবে ক্যালকুলেশন হবে। সঠিক থাকলে সাবমিট করুন।

ডকুমেন্ট প্রিণ্টঃ ফিক্সেশন সম্পন্ন হলে ফিক্সেশন স্টেটমেন্ট প্রিণ্ট করে দপ্তরে জমা দিন।


এটি একটি প্রস্তাবিত প্রক্রিয়া। ২০২৬ অনুযায়ী চূড়ান্ত গেজেট প্রকাশের পর এ নিয়ম পরিবর্তীত হতে পারে।

বেতন ফিক্সেশন পদ্ধতি ২০২৬।

নতুন পে-স্কেলের পার্থক্য যোগ ও ইনক্রিমেন্ট ফ্যাক্টর পদ্ধতি প্রয়োগ হবে। 

সরকারি কর্মচারী ও সংশ্লিষ্টদের জন্য বেতন ফিক্সেশন বা নতুন বেতন কাঠামোতে বেতন নির্ধারণের দুইটি বহুল প্রচলিত পদ্ধতি তুলনামূলক বিশ্লেষণ ওঠে এসেছে। যা বেতন নির্ধারণ প্রক্রিয়াকে আরো স্বচ্ছ করতে সহায়ক হতে পারে। পদ্ধতি দুটি হলো পার্থক্য যোগ পদ্ধতি এবং ইনক্রিমেন্ট ফ্যাক্টর পদ্ধতি বিশ্লেষণে দেখা যায় দুটি পদ্ধতিতেই কর্মচারীর মূল বেতন বৃদ্ধির ক্ষেত্রে সামান্য পার্থক্য তৈরি হতে পারে। যা চূড়ান্ত বেসিকে প্রভাব ফেলে। নিচে পদ্ধতি দুটির গাণিতিক বিশ্লেষণ তুলে ধরা হলো। 

১। পার্থক্য যোগ পদ্ধতিঃ Difference addition method এই পদ্ধতিতে মূল বেতনের সাথে ইনক্রিমেন্টজনিত পার্থক্য যোগ করে নতুন স্কেলের প্রাথমিক ধাপের সমন্বয় করা হয়। 

  • পুরোনো স্কেলের বেসিক ১১০০০ টাকা  
  • ৬ বছর পর ইনক্রিমেন্টসহ বেসিক ১৪০৫০ টাকা
  • পার্থক্য নির্ণয় ১১০০০ - ১৪০৫০ = ৩০৫০ টাকা 
  • নতুন স্কেলের বিবেচ্য ধাপ ধরা হয়েছৈ ২০,০০০ টাকা
  • নতুন বেসিক গণণাকৃত ২২০০০ + ৩০৫০= ২৫০৫০ টাকা

চূড়ান্ত নির্ধারণঃ গণণাকৃত ২৫০৫০ টাকা যদি স্কেল টেবিলের কোনো ধাপে না থাকে তবে, নিকটতম উচ্চতর ধাপ যেমন: ২৫২০০ টাকা তে বেসিক নির্ধারণ করা হবে। 

২। ইনক্রিমেন্ট ফ্যাক্টর পদ্ধতিঃIncrement factor method এই পদ্ধতি অনুসারে প্রথমে ইনক্রিমেন্ট ফ্যাক্টর বের করা হয় এবং সেই ফ্যাক্টর দিয়ে নতুন স্কেলের সংশ্লিষ্ট বেসিককে গুণ করে নতুন বেসিক নির্ধারণ করা।  

ইনক্রিমেন্ট ফ্যাক্টর বের করার সূত্র: 

  • ইনক্রিমেন্টসহ বেতন/পুরোনো স্কেলের প্রারম্ভিক বেতন।
  • ফ্যাক্টর নির্ণয়: ১১০০০/১৪০৫০ = ৩০৫০ 
  • নতুন বেসিক (গণনাকৃত): নতুন স্কেলের বেসিক (সম্ভাব্য) ধরা হয়েছে × ইনক্রিমেন্ট ফ্যাক্টর ২২০০০× ১.২৮০৪৯ = ২৮১৭০ টাকা। 
  • চূড়ান্ত নির্ধারণ গণণাকৃত ২৮১৭০ টাকা যদি স্কেল টেবিলের কোনো ধাপে না থাকে নিকটতম উচ্চতর ধাপ যেমন: ২৮২০০ টাকাতে বেসিক নির্ধারণ করা হবে। 
  • তুলনামূলক পর্যালোচনা: বিশ্লেষণ অনুযায়ী একই প্রার্থীর তথ্য ব্যবহার করে দুটি পদ্ধতিতে গণনাকৃত বেসিকের মধ্যে সামান্য পার্থক্য দেখা যাচ্ছে। 

  •  পদ্ধতি

     গণনাকৃত বেসিক 

     চূড়ান্ত বেসিকের ধাপ

     পার্থক্য যোগ পদ্ধতি 

     ২৫০৫০ টাকা 

     ২৮১৭০ টাকা

     ইনক্রিমেন্ট ফ্যাক্টর পদ্ধতি

     ২৯,৮৮০ টাকা

     ৩০০০০ টাকা


 

Latest
Next Post
Related Posts